১৭ বছর পর আবারও ভোট উৎসবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। শঙ্কা-আশঙ্কা থাকলেও পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। এই সময়ে অদ্ভুত এক সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। প্রশ্ন উঠছে—এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন কি একটি কলঙ্কিত নির্বাচন করতে চায়? তারা কি কোনো পক্ষকে অবাধে সিল মারার সুযোগ করে দিতে চায়?
রোববার আসন্ন নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাঠিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না।
কেবল দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার, সাধারণ আনসার বা ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ফোন রাখতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের এ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে সাংবাদিকরাও মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যেতে পারবেন না। স্বাভাবিকভাবেই ভোট কারচুপি হলেও তার ভিডিও ধারণ করা যাবে না। সাধারণ মানুষও ভোটের দিন কেন্দ্রে মোবাইল নিতে পারবেন না। এতে বহু ঘটনাই আড়ালে থেকে যাবে। অনেকে ভোট দিতেও নিরুৎসাহিত হবেন।
বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা নিয়ে এর আগেও অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু সর্বশেষ সিদ্ধান্তে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিল।
বর্তমানে দুইজন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কারাগারে রয়েছেন। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—কেউ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!