জামায়াত , কাস্টমস
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অনাপত্তিপত্রের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে ঢাকা পর্যন্ত টাকা বহনের অনুমতি দেওয়া হয়।   ছবি: আরটিএনএন

কাস্টমসের অনাপত্তিপত্র নিয়েই ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির টাকা বহন করেছিলেন বলে জানিয়েছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, কাস্টমসের অনাপত্তির ভিত্তিতেই ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে টাকা বহনের অনুমতি দেওয়া হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে অর্থ পরিবহনে আইনগত কোনো সীমা নেই।

টাকা বহনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটকের পর বিষয়টি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং নানা ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নগদ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা কাস্টমসের পক্ষ থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, যদি অর্থের উৎস বৈধ হয় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষিত থাকে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক রুটে বৈদেশিক মুদ্রা বা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে দেশের অভ্যন্তরে নগদ অর্থ পরিবহনে সরাসরি কোনো সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। সন্দেহজনক লেনদেন বা মানিলন্ডারিংয়ের আশঙ্কা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তদন্ত করা হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলের দাবি, বিষয়টি প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, দেশের ভেতরে অর্থ পরিবহন বৈধ হলেও অর্থের উৎস ও ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সংবেদনশীল এ ধরনের বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা ও তথ্য প্রকাশ জরুরি।