শপথ
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।   ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের মন্ত্রিসভার শপথ আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা গঠনের সময় ও প্রক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, আমরা আশা করছি, আগামী তিন থেকে চারদিনের মধ্যে শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে। 

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন। নতুন ন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার দেশি-বিদেশি অতিথি থাকবেন।

তিনি বলেন, নিয়মানুযায়ী যদি আমাদের বলা হয়, আগামীকাল বা পরশু (শপথ হবে), সেটার প্রস্তুতিও আছে। আবার যদি বলা হয়, তিন দিন পরে হবে তার প্রস্তুতিও আছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট নোটিফিকেশন ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী আগামীকাল (রোববার) থেকে শুরু হয়ে ১৭ তারিখের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, শপথ গ্রহণ শেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সংসদীয় দলনেতা নির্বাচন করবে। যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থাভাজন হওয়ার বিষয়টি অবহিত করবেন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করবেন।

মন্ত্রীপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের পর সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, তিন থেকে সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব সংসদ সচিবালয়ের। বিধান অনুযায়ী স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পাঠ করাতে পারেন। প্রয়োজনে তারা কাউকে মনোনয়নও দিতে পারেন। যদি সে সুযোগ না থাকে, সেক্ষেত্রে সরকার থেকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। প্রয়োজন হলে প্রধান বিচারপতি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ পাঠ করাতে পারেন। তবে কে শপথ পাঠ করাবেন—এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হ্যান্ডেল করেন সংসদ সচিবালয়। ওখানে কথা বলতে হবে। আমি যেটা জানতে পেরেছি সেটা ইনফরমাল। সেটা বলতে চাচ্ছি না।