মন্ত্রীসভা
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।   ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস বিজয়ের পর চারিদিকে আলোচনা চলছে কারা জায়গা পাচ্ছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বধীন মন্ত্রিসভায়। এবারের নির্বাচনে তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত তরুণদের পাশাপাশি প্রবীণরাও রয়েছেন। তবে যারা সংসদ সদস্য নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি তারাও টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রিত্ব পাবেন। এবারের মন্ত্রিসভায় তারুণ্য নির্ভর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে  প্রবীণ নেতারা হয়তো মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টাও হতে পারেন।

বিএনপি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রমতে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান, মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, ড. রেজা কিবরিয়া, আমানুল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, মিজানুর রহমান মিনু, বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আসাদুল হাবিব দুলু, জহির উদ্দিন স্বপন, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবীর খোকন, অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আহমেদ  আজম খান, এসএম জিলানী, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, সাইদ নোমান, আহমেদ  আজম খান, শহীদ  উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবুল খায়ের ভুইয়া, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, হাফিজ ইব্রাহিম, মোরশেদ মিল্টন, মিয়া নুরউদ্দীন অপু, ইশরাক হোসেন,  আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ, এম নাসের রহমান, আলী আসগার লবি, আবদুস সালাম পিন্টু ও সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর মধ্যে যে কোনো একজন। তবে জোট শরীক গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরও মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন। নারীদের মধ্যে ফারজানা শারমিন পুতুল, তাহসীনা রুশদি লুনা, শামা ওবায়েদ রিংকু।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্য নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি কিন্তু মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সামসুজ্জামান দুদু, ইসমাইল জবিউল্লাহ, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিবুন্নবী খান সোহেল, নাজিমউদ্দীন আলম, যুবদলের সভাপতি মেনায়েম মুন্না ও বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল। 

তবে, ধারণা করা হচ্ছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অতি আস্থাভাজন ও তুলনামূলক তরুণরা জায়গা পাবেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ড. মাহদী আমিন। তিনি বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন এই মেধাবী তরুণ।

এছাড়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন। তাকে সম্প্রতি দলটির নতুন যুগ্ম মহাসচিব করা হয়েছে। 

মন্ত্রিসভায় আরও যুক্ত হতে পারেন এডভোকেট বেলায়েত হোসেন মৃধা। তিনি তারেক রহমানের বিশেষ সহকারী ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রভাবশালী সদস্য। এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী। তিনি তারেক রহমানের প্রেস সচিব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

তাছাড়া, আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন রয়েছেন তারেক রহমানের আস্থাভাজনদের তালিকায়। তিনি বিগত দিনে দেশে তারেক রহমানের হয়ে ব্যবসা-রাজনীতিসহ প্রায় সকল কাজে যুক্ত ছিলেন। তারেক রহমান দেশে ফেরার পর প্রায় সকল আয়োজনে তার ছাড়াসঙ্গী আতিকুর রহমান রুমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবে মন্ত্রীসভায় স্থান না পেলেও তারেক রহমানের আস্থাভাজন এই মেধাবী তরুণরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।