প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে অপহরণের শিকার স্কুল ছাত্রকে উদ্ধারের ঘটনায় চার অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংএ রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা খন্দকার শামীমের একমাত্র ছেলে আরফান সাঈদ অপহরণের ঘটনা জড়িত একটি অপহরণ চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিসি মাসুদ বলেন, অপহরণকারীরা একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র। তারা উঠতি বয়সী তরুণদের মাদক ও নারীর ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে। অর্থ আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীদের জিম্মি ও নির্যাতন করে টাকা আদায় করতো। গ্রেফতারকৃতরা হলো- তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম (২৩), ইশরাক ইয়ামিন লিখন (২০), হাসান আল বান্না ওরফে হাসলাম (২১), মোস্তাফিজ রহমান পুঞ্জ (২২)।
চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে উঠতি বয়সী তরুণদের মাদক ও নারীদের ব্যবহার করে ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে আসছে।
একইভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুক্তভোগী সাঈদকে অপহরণ করে খিলগাঁও চামেলিবাগ এলাকায় নিয়ে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণ দাবি করে। ছেলে অপহরণ পান চাওয়ার ঘটনায় হতবিহল বাবা মন্ত্রণালয়ে ছোটাছুটি করছিলেন। এই সময়ে প্রধানমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে বিষয়টি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী ছেলে অপহরণের ঘটনা শুনে রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে ব্যবস্থা নিতে বলেন।
উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে ডিসি মাসুদ বলেন, অপহরণকারীরা চামিলিবাগ এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনে জিম্মি করে রাখে। পরে আমরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করি। কিন্তু অপহরনকারীরা পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে ভুক্তভোগীকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে আমরা ওই কিশোরকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করি।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে দ্রুত সময়ে বাচ্চাটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা গেলেও জড়িতদের বিষয় কোনো তথ্য ছিলো না। ভুক্তভোগীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। গতকালকে রাতে আমরা চারজনকে গ্রেফতার করেছি। ঘটনাস্থলে থাকা আরও একজনকে আমরা খুঁজতেছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি ১০ থেকে ১২ জনের একটটি দুর্ধর্ষ চক্র। এই চক্রটি উঠতি বয়সী তরুণদের টার্গেট করে। এরপর তারা ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে। টাকা আদায়ে নির্যাতন করে। ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায় করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল ফোন থেকে বেশ কিছু ভিডিও পেয়েছি।
এই ঘটনায় রমনা থানায় নিয়মিত আইনে মামলা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!