উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাসের পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার ভোরে ১০ নম্বর সেক্টর কবরস্থান রোড মেম্বার বাড়ির পাশে আবুল কালামের ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ভবনের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার দেয়াল ভেঙে গেছে।
দগ্ধদের সবাইকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দগ্ধরা হলেন- রুবেল (৩০), তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী দেলেরা (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১০), এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব (৩০), এনায়েতে ভাগনি আয়েশা (১৯) এবং রুবেল (৩৫)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এনায়েত সম্প্রতি দুবাই থেকে দেশে ফিরে মাদারীপুরের শিবচর থেকে সপরিবারে উত্তরার এই বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। ভোরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটার পর প্রতিবেশীরা তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
একই ভবনের চতুর্থ তলার বাসিন্দা এবং দগ্ধদের স্বজন সাজেদ মাতব্বর জানান, হঠাৎ বিকট শব্দে পুরো ভবন কেঁপে ওঠে। ঘর থেকে বেরিয়ে তিনি দেখেন দ্বিতীয় তলার বাসার দেয়াল ধসে পড়েছে। বাসার ভেতরে থাকা ১০ জনই আগুনের শিখায় ঝলসে গেছেন।
ধারণা করা হচ্ছে, রাতে কোনোভাবে গ্যাসের পাইপ থেকে লিকেজ হয়ে ঘরে গ্যাস জমে ছিল এবং ভোরে আগুন জ্বালাতে গেলেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধ ১০ জনকে বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘রোগীদের ড্রেসিং এবং প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। শরীরের কত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে তা নিরূপণ করার পর বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।’ তবে দগ্ধদের মধ্যে শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারী থাকায় চিকিৎসকরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এবং ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!