ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩ মার্চ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিক্রি হচ্ছে ১৭ মার্চের টিকিট।
এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ পাওয়া যাবে। ঈদযাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী যাত্রীদের টিকিট ক্রয় সহজলভ্য করার জন্য পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি হচ্ছে।
রেলওয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ঢুকেই যাত্রীরা ঘরে বসে টিকিট কিনতে পারবেন। এ জন্য আগে একবার নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আগে থেকে নিবন্ধন করা থাকলে সরাসরি লগইন করেই টিকিট কাটা যাবে।
রেজিস্ট্রেশন করতে হলে https://eticket.railway.gov.bd/ ঠিকানায় প্রবেশ করে উপরের ডান পাশে থাকা ‘রেজিস্ট্রেশন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করে ‘ভেরিফাই’ বাটনে চাপ দিলে মোবাইলে একটি ওটিপি যাবে। সেই ওটিপি দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্টে লগইন হয়ে যাবে।
টিকিট কিনতে লগইন করার পর ভ্রমণের তারিখ, যাত্রা শুরুর স্টেশন, গন্তব্য ও শ্রেণি নির্বাচন করে ‘ফাইন্ড টিকিট’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। তখন নির্ধারিত তারিখের ট্রেনের তালিকা, আসন খালি আছে কি না এবং ছাড়ার সময় দেখা যাবে।
পছন্দের ট্রেন নির্বাচন করে ‘ভিউ সিটস’–এ ক্লিক করলে খালি আসন দেখাবে। সেখান থেকে আসন বেছে নিয়ে ‘কন্টিনিউ পারচেজ’ অপশনে যেতে হবে। এরপর আবার একটি ওটিপি মোবাইলে পাঠানো হবে, সেটি দিয়ে অগ্রসর হতে হবে।
সবশেষে মোবাইল ব্যাংকিং বা কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করলে ই-টিকিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হবে। একই সঙ্গে নিবন্ধিত ই-মেইল ঠিকানায় টিকিটের কপি পাঠানো হবে।
ডাউনলোড করা পিডিএফ টিকিট মোবাইলে দেখিয়েই ভ্রমণ করা যাবে। চাইলে ই-মেইল থেকে প্রিন্ট কপি নিয়ে ফটো আইডিসহ সংশ্লিষ্ট সোর্স স্টেশন থেকেও ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!