জাতীয়, জাতীয় সংসদ, অধিবেশন,
জাতীয় সংসদ অধিবেশনের দৃশ্য।   ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হয়েছে। এই অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। শনিবার (১৪ মার্চ) জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে স্পিকার অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখবেন।

সদ্য নির্বাচিত সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ১২ মার্চ ভাষণ দেন। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৩(২) অনুচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রদানের রেওয়াজ রয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় বিরোধী দলীয় এমপিরা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। স্পিকারের বারবার আহ্বান উপেক্ষা করে তারা কিছু সময়ের জন্য অধিবেশন কক্ষে অবস্থান ত্যাগ করেন।

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন দাখিল হয়েছে। বিধি-৭১ এর আওতায় মনোযোগ আকর্ষণের ২৭টি নোটিশ এবং বিধি-১৩১ অনুযায়ী ৯৭টি সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব জমা পড়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠক জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেটকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিরোধী দলীয় নেতা, মন্ত্রিসভা সদস্য এবং সংসদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অধিবেশনের স্থায়িত্ব, আলোচ্য বিষয় ও আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সূচি নির্ধারণ করা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ সম্পর্কিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন।

সংসদের কার্যক্রম অনুযায়ী ১৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি থাকবে এবং ২৯ মার্চ থেকে অধিবেশন আবারও পুনরায় শুরু হবে। এভাবে এপ্রিলজুড়েই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে।