লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের সুবিধার্থে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে চলাচলকারী সব বিলাসবহুল লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম বুকিং চালু করা হয়েছে। বুকিং শুরু হওয়ার পর থেকেই যাত্রীরা কাউন্টারে ভিড় করছেন। অনেক যাত্রী ভোগান্তি ছাড়াই টিকিট পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের ছুটি শেষে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চের প্রায় ৭০ শতাংশ কেবিন ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের সুন্দরবন নেভিগেশন কোম্পানির ম্যানেজার জাকির হোসেন বলেন, “ঈদে যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে পর্যাপ্ত লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যদি অতিরিক্ত যাত্রীচাপ দেখা যায়, তাহলে লঞ্চের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।”
এমভি আওলাদ-১০ লঞ্চের ম্যানেজার অভিজিৎ জানান, “ঈদযাত্রার জন্য ১৬ মার্চ পর্যন্ত টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে গেছে। ১৮ মার্চের টিকিটও পুরোপুরি বিক্রি হয়েছে। ১৯ মার্চের কিছু কেবিন এখনও খালি রয়েছে।”
সড়কপথের তুলনায় নৌপথ আরামদায়ক হওয়ায় অনেক যাত্রী লঞ্চে যাতায়াত করতে আগ্রহী হচ্ছেন। ঈদের ৮ থেকে ১০ দিন আগে কেবিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ায় ভোগান্তি কমেছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রী সোহান বলেন, “যাত্রীরা ভিড়ের মধ্যেও একটু নিরিবিলি ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে চান। তাই আগেভাগেই টিকিট কাটতে এসেছি এবং সহজেই টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।”
আরেক যাত্রী আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমার পরিবারের কয়েকজন সদস্য ঈদ করতে ঢাকা থেকে বরিশালে আসবেন। তাই আগেই টিকিট সংগ্রহ করছি।”
এদিকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ-এর কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ঢাকা-বরিশাল রুটে ১৬টি লঞ্চ চলাচল করবে এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে প্রায় ৩০টি লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাত্রীচাপ বাড়লে বিশেষ সার্ভিস চালু করা হবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!