স্কুলপর্যায়, সরকার
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।   ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্কুলগুলোতে পাঠদান পদ্ধতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্কুলপর্যায়ে অনলাইন এবং সশরীরে উপস্থিতির সমন্বয়ে একটি ‘হাইব্রিড’ ক্লাস ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) শিক্ষামন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুলগুলোর ক্লাস ব্যবস্থার এই পরিবর্তনের বিষয়টি মন্ত্রিসভার সামনে উপস্থাপন করা হবে। আগামী বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা কার্যক্রমকে ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার মাধ্যমে সৃষ্ট প্রতিটি ভালো ফল সদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা শিক্ষক ও সমাজকে দীর্ঘ মেয়াদে উপকৃত করে। তিনি শিক্ষকদের আহ্বান জানান, এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জাতীয় শিক্ষার মান উন্নত করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো ব্যক্তিগত বা সরকারের একক এজেন্ডা নয়, বরং একটি জাতীয় অঙ্গীকার।

শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাসমূহের বিষয়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট করছে। বিশেষ করে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও, শিক্ষা বোর্ডগুলো এই পাবলিক পরীক্ষা পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুনে নিলে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়, যা জাতীয় পর্যায়ে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।