নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনকে নিরপেক্ষতা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী -বাজিতপুর) কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আপনারা কারো ডান বাম শুনবেন না। আমরা কারো আনুকূল্য চাই না। কেউ আমাদের ক্ষতি করতে আসলে কিন্তু আমরা ছেড়ে দেবো না। তিনি যেই হোন, আমার অধিকার আমাকে রক্ষা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রশাসনকে বলছি আপনারা দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সাথে, সততার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচনকে সামনে রেখে। জাতি আপনাদের জন্য দোয়া করবে। ১৮ কোটি মানুষ আপনাদের পাশে থাকবে।
জামায়াত আমির বলেন, আমার অধিকার মানে ১৮ কোটি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলমানের অধিকার। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে, সে বিজয় আমাদের সবার। কোনো দল-গোষ্ঠী, পরিবারতন্ত্রিক বিজয় আমাদের কাছে নেই। যারা পুরানো রাস্তায় হাঁটতে চাইবেন, তাদের রাস্তায় তারা হাঁটুক৷ আমরা আলোকিত সুন্দর রাস্তায় হাঁটবো, ইনশাল্লাহ। আর জাতি এই আলোকিত রাস্তায় হাঁটবে। জাতি কোনদিকে তার আলামত স্পষ্ট।
তিনি বলেন, যুব সমাজ সিদ্ধান্ত দিয়ে ফেলেছে। পাঁচ পাঁচটা বিশ্বিবদ্যালয়ে তারা বলে দিয়েছে আমরা ন্যায় ইনসাফের পক্ষে। আমরা আগামীর নতুন বাংলাদেশের পক্ষে। আমরা যুবকদের ২৪ এর আকাঙ্ক্ষার পক্ষে। এই রায় তারা দিয়েছে। মায়েরা বোনেরা তাদের মতামত ব্যক্ত করতে শুরু করেছেন। কেউ বলছেন আমরা ইসলামের হাতে নিরাপদ, কেউ বলছেন, আমরা জামায়াত ইসলামীর হাতে নিরাপদ। এই অবস্থা দেখে অনেকের একটু মাথা গরম হয়ে গেছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই জেলার মানুষ নানা বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। এই জেলার মানুষ স্বভাবগতভাবে ধর্মপ্রাণ। কিন্তু তারা অন্যান্য ধর্মের সাথেও চমৎকার সম্পর্ক রক্ষা করে চলেন। এটি ধর্মের সৌন্দর্য। আমরা সকল ধর্ম দিয়ে দেশটাকে ফুলের বাগানের মতো সাজাতে চাই। আমরা প্রিয় জাতিকে আর টুকরা টুকরা করতে কাউকে সুযোগ দেবো না। অতীতের কাসুন্দি এখন শেষ। এগুলো জনগণ আর শুনতে চাই না। ওগুলো শুনিয়ে শুনিয়ে জনগণকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে জনগণের কপাল কিসমত যারা হাইজ্যাক করেছে, লুণ্ঠন করেছে তাদের জায়গা বাংলাদেশ আর হবে না। ২৪ এর যুবসমাজ অতীতের পচা রাজনীতি অনুশীলন করার জন্য বুক চিতিয়ে লড়াই করে নাই। তারা পরিবর্তন চেয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, কিশোরগঞ্জ দেশের আলেম-ওলামাবিশিষ্ট নাগরিক ও দেশের ঐতিহ্যসমৃদ্ধ একটি এলাকা। এলাকার মানুষ পরিশ্রমী, জ্ঞানী ও শিক্ষিত, দেশপ্রেমিক। এই এলাকাটি হাওড়ের এবং সমতলের এক মহামিলন। ২২ এর বন্যার সময় আমার এখানে আসার সুযোগ হয়েছিল। এখানের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু এখানের লোকেরা বাংলাদেশের প্রশাসনের শীর্ষ পদ অলঙ্কৃত করেছেন। শীর্ষ পদ অলঙ্কৃত করার পর তারা কি দিয়েছে? কি পেয়েছেন আমরা, এটা আমি বলতে চাই না, এটার সাক্ষী আপনারাই- বলেন ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াত আমির বলেন, কিশোরগঞ্জের সম্মানিত জেলা আমীর অধ্যাপক রমজান আলী আপনাদের পক্ষ থেকে বাস্তব কিছু দাবির কথা তুলে ধরেছেন। আমি আপনাদেরকে সাক্ষী রেখে ঘোষণা করছি, কিশোরগঞ্জের ৬টি আসন মহান আল্লাহর উপর ভরসা রেখে আগামীতে একটি দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, মামলাবাজমুক্ত, আগামীর একটি শোষণম ও বৈষম্যমুক্ত, পারিবারিক দাপটমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ার জন্য আপনারা মেহেরবানী করে আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা এবং পবিত্র ভোটের আমানত আমাদের দেন। আমরা কথা দিচ্ছি, ইনসাফের ভিত্তিতে আপনাদের সকল আত্মার প্রতিদান দেবো, ইনশাল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, জুলাই যুদ্ধে ছেলেরা যেমন লড়াই করেছে, মেয়েরাও তেমন লড়াই করেছে। এই দেশে আমার ছেলে মেয়েদের, মা বোনদের, আবাল বৃদ্ধ বনিতার, সাধারণ মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। আগে আমার নিরাপত্তা, পরে উন্নতি। দুটিই আমার দরকার। কোনোটাই আমাদের নেই।
যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক যুবক, তারা জবলেস-বেকার। তারা রাস্তায় নেমে বলেনি, আমাদের বেকার ভাতা দেন। তারা সেদিন বলেছিল, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা চাই, আমাদের মেধার মূল্যায়ন করা হোক। কোনো মামু খালুর লাল টেলিফোনে আমার কপাল যেন চোরাবালিতে হারিয়ে না যায়। আমার কপাল আমাকেই দিতে হবে। আমার যোগ্যতা মেধা অনুযায়ী আমার কাজ আমাকে দিতে হবে।
জামায়াত আমির বলেন, প্রিয় যুবকরা, কথা দিচ্ছি- ইনশাল্লাহ, আমরা শিক্ষা প্রশিক্ষণ দিয়ে তোমাদের হাতকে বাংলাদেশ গড়ার কারিগরে পরিণত করবো, ইনশাল্লাহ। দেশটি তোমাদের হাতে তুলে দিতে চাই। তোমরা কি প্রস্তুত আছো? কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্প নির্ভর জেলা না। ইলেক্ট্রো মেকানিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিতে ভরপুর না। পাশের গাজীপুর ওই রকম একটা জেলা। এই জেলাটি কৃষিভিত্তিক। আমরা কথা দিচ্ছি। কৃষিকে ইনশাল্লাহ আমরা শিল্পে পরিণত করবো। বলবেন এত টাকা কোথায় পাবেন? ঐ যে আমার দেশ থেকে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ওদের পেটের ভিতর হাত ঢুকিয়ে বের করে আনবো ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, যে এলাকাকে তার ন্যায্য পাওনা থেকে যতবেশি বঞ্চিত করা হয়েছে, আগামীর উন্নয়ন সে এলাকায় ততবেশি চলে যাবে ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশের তিন ভাগের এক ভাগ হাওড় এলাকা। এই হাওড় আমাদের পেটের খাদ্যের যোগান দেয়। শুধু ডাল আর ভাত না, হাওর আমাদের প্রোটিনও সরবরাহ করে। কিন্তু নদীগুলোকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এগুলোতে হাত দেবো, ইনশাআল্লাহ। নদীর জীবন ফিরে আসলে বাংলাদেশ জীবন ফিরে পাবে।
মায়েদের প্রতি পরম কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাদের ঋণ শোধ করার চেষ্টা করতে হবে উল্লেখ করে আমীরে জামায়াত বলেন, চব্বিশের ১৫ জুলাই সন্ত্রাসীরা যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের গায়ে হাত দিয়েছিল, তখনই পুরো বাংলাদেশ বিস্ফোরিত হয়েছিল। মানুষ সবকিছু সহ্য করতে পারে, কিন্তু মায়েদের ওপর আক্রমণ সহ্য করতে পারে না। সমানভাবে তরুণদের সাথে তরুণীরা, যুবকদের সাথে যুবতিরা, ভাইয়ের সাথে বোনেরা, বাবার সাথে মায়েরা ২৪ এ যুদ্ধ করেছিল।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মা বোনেরা ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে নিরাপত্তা পাবে। মা বোনরা এটিই আমাদের কাছে চায়। জনগণের প্রার্থীই ১১ দলের প্রার্থীই। প্রতিটি আসনে ১১ দলের একটি মার্কা থাকবে। ‘হ্যাঁ’ যদি জিতে বাংলাদেশ জিতে যাবে, ‘হ্যাঁ ’যদি হেরে যায় বাংলাগেশ হেরে যাবে।
ন্যায় ইনসাফের প্রতীকগুলো যদি জিতে যায়, বাংলাদেশ জিতে যাবে।
তিনি বলেন, আমরা মায়েদের কথা দিচ্ছি, আপনাদের সমাজের সবচেয়ে সম্মানিত অংশ হিসেব মাথায় তুলবো ইনশাল্লাহ। এটা আমাদের দায়িত্ব। যে জাতি মায়েদের সম্মানিত করে, আল্লাহ তায়ালা তাদের সম্মান বৃদ্ধি করে দেন। আর যে জাতি মায়ের সম্মান রাখতে পারে না, আল্লাহ তায়ালা তার সম্মান উঠিয়ে নেন। তারা অপমানিত হয়। কিছু জায়গায় মায়েদের সাথে অভদ্র, অশালীন আচরণ করা হয়। আমি তার প্রতিবাদ করি।
নিজের টুইটার একাউন্ট হ্যাক হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন,আআমার টুইটার যা এখন এক্স বলে, সেটি হ্যাক করে মায়েদের নিয়ে অত্যন্ত নোংরা ম্যাসেজ দেয়া হয়েছে। আমাদের আইটি টিম দ্রুত এটি পুনরুদ্ধার করেছে এবং জানতে পেরেছে কোথা থেকে এটি হ্যাক করা হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, সবকিছু স্পষ্ট হওয়ার পরেও একটি রাজনৈতিক দল এটি নিয়ে ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা অনেক জায়গায় আমাদের কথা নিয়ে যেতে পারছি না, আপনারা সেটা করে দিচ্ছেন, ধন্যবাদ। যদি ভালোর জন্য করে থাকলে ঠিক আছে। কিন্তু কারও চিরত্রহননের জন্য করে থাকলে, আল্লাহর রাসূলের হাদিস অনুযায়ী সেই পাওনাটা সমজে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা সকলের জন্য দরবারে হেদায়েত ও দোয়া করি।
রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আমরা আগামী দিনে কি করব সামনা সামনি ডায়লগ করি। হাজির হয়ে যাই। খোলা ময়দানে আমাদের প্রশ্ন করুক। আমরাও জবাব দিই, আপনারাও জবাব দেন। আর সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বটা জাতির উপর ছেড়ে দেন । যেকোনোভাবে আমাকে জিততে হবে এই ধারণা থেকে বের হয়ে আসুন। ওই পুরানা স্লোগান থেকে বের হয়ে আসেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দিবো, সেই দিন শেষ। সেদিন আর ফিরে আসবে না, ২৪’র যুবকেরা ঘুমিয়ে পড়েনি, জেগে আছে। তার ভোটের পাহারাদারি সে করবে, সাথে সাথে বাকী সকলের ভোটের পাহারাদারিও সে করবে। এখন আর কারও ভোটে হাত দিতে পারবে না। সুষ্ঠু নির্বাচনে যেই নির্বাচিত হয়ে আসুক, আমরা তাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য প্রস্তুত। কিন্তু চোরাই পথে আর কোনো নির্বাচন হবে না, ইনশাআল্লাহ। হতে দেওয়া হবে না। সমস্ত চোরাই গলি বন্ধ করে দেয়া হবে।
আমীরে জামায়াত বলেন, আমরা চাই মানুষ একটু শান্তিতে থাকবে, কৃষক তার মাঠে ফসল ফলাবে আধুনিক প্রযুক্তিতে। একজন শ্রমিক তার ন্যায্য পাওনা পাবে। সে মানবিক মর্যাদায় সেখানে কাজ করবে। কোনো মানুষের হাত কর্মহীন থাকবে না। বরং হাত মজবুত হয়ে কাজ করা মানুষ থাকবে। এরপরে যাদের হাত কাজ করতে পারবে না, তাদের দায়িত্ব সরকার নেবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা বলেছি একটি সুস্থ জাতি গঠনের জন্য ৫ বছর পর্যন্ত একটি শিশুর দায়িত্ব নেবে সরকার। আমরা বলেছি, একটা শিশুও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে না। প্রত্যেক শিশুকে শিক্ষার আলো দিয়ে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলা হবে। তারা দেশে বিদেশে যেখানেই সেবা দেবে, সেখানে দক্ষতা ও গৌরবের সাথে সেবা দেবে। আমি আমরা আর খোঁড়া শিক্ষা দিতে চাই না। আমরা দক্ষতা যে দিতে পারবে, সেই শিক্ষা আমাদের সন্তানদের হাতে তুলে দিতে চাই। তার সাথে দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষা দিতে চাই। মানুষ যদি মানবিক মূল্যবোধে গড়ে না উঠে, সে দক্ষ হলে দক্ষতার সাথে এই দেশের বারোটা বাজাবে। তাই আমরা নৈতিক ও পেশাগত শিক্ষা দিতে চাই। দুইটি ভোট দেবেন সবাই। একটি জুলাই আকাঙ্ক্ষার পক্ষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
আমরা দুর্নীতির পক্ষে কাউকে যেতে দেবো না, দুর্নীতি করবোও না। চাঁদাবাজি হতে দেবো না, আমাদের চাঁদাবাজি করার তো প্রশ্নই আসে না। কোনো মামলাবাণিজ্য হবে না।
জামায়াতের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে উত্তম বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে চাই। কাউকে প্রভু হতে দেবো না। কথা একদম সাফ। আধিপত্যবাদের কোনো জায়গা নেই বলেন তিনি।
নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম, মঙ্গলবাড়িয়া আলিয়া মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা তৈবুজ জামান, সাবেক জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির উত্তর আঞ্চলিক সংগঠক আবু সাঈদ উজ্জল, জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা অমুসলিম শাখার সেক্রেটারি কৃষ্ণ চন্দ্র বসাক, সাবেক জেলা নায়বে আমীর অধ্যাপক মোসাদ্দেক ভূঁইয়া, হিন্দু মহাজোটের যুব শাখার সভাপতি বিদ্যুৎ আচার্য, জুলাই বিপ্লবের শহীদ সিফাত উল্লাহর পিতা হাফেজ মাওলানা নুরুজ্জামান , ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নাদিম, চাকসুর নির্বাচিত জিএস সাইফ বিন হাবিব, চাকসুর নির্বাচিত সদস্য মুশফিকুর রহমান, হয়বতনগর আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক, কিশোরগঞ্জ শহর শাখার আমীর আ মম আব্দুল হক, কিশোরগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের জেলা আমীর মাওলানা আব্দুল আহাদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের সাবেক সভাপতি মাহাবুবুর রহমান মাহফুজ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি হাসান আল মামুন, সাবেক শিবিরের জেলা সভাপতি ফাইজুল হক উজ্জ্বল, সাবেক শিবির জেলা সভাপতি মো. আব্দুস সাত্তার, খেলাফত মজলিসের নেতা শফিকুল ইসলাম রুহানি, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনী, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক জেলা নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মাস্টার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আকন্দ, কটিয়াদি পাকুন্দিয়া আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা শফিকুল ইসলাম মোড়ল, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট রুকন রেজা শেখ, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক কর্নেল (অব.) ডা. জিহাদ খান, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আহনাফ সাঈদ খান, খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারি আব্দুল মোমেন শের জাহান প্রমুখ।
কিশোরগঞ্জ-২,৩,৪,৫, ও ৬ সংসদীয় আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীদের প্রতীকসহ পরিচয় করিয়ে দেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!