বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কৃষকদের জন্য নতুন ধরনের কৃষি ঋণ সম্প্রসারণ এবং শরিয়াহভিত্তিক কল্যাণমূলক ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচনী ইশতেহারে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
দলের ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারের শিরোনাম করা হয়েছে—‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার’। ইশতেহারে দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
ইশতেহারে উল্লেখিত মূল পরিকল্পনা গুলো হলো-১. টেকসই কৃষি উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা হবে।
২. কৃষি উপকরণ (বীজ, সার, বালাইনাশক, যন্ত্রপাতি) উৎপাদন ও সরবরাহে স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষকের সহজ প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে।
৩. কৃষিপণ্যের টেকসই সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের নিশ্চয়তা ও চাহিদা-যোগান সমন্বয় করা হবে; গুদাম, হিমাগার ও শুকানোর সুবিধায় বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হবে।
৪. কৃষিতে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও ঋণ সহায়তা যৌক্তিক হারে চালু রাখা বা বৃদ্ধি করা হবে।
৫. দেশি ও বিদেশি, সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করে দেশের কৃষিকে রপ্তানিমুখী করা হবে; আন্তর্জাতিক বাজার উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করা হবে।
৬. কৃষি জমি রক্ষা, উর্বরতা সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৭. সারাদেশে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে এবং দক্ষ কৃষি শ্রমিককে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
৮. আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষিকে লাভজনক করে কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
৯. কৃষি ঋণ সম্প্রসারণ এবং শরিয়াহভিত্তিক কল্যাণমূলক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে।
১০. কৃষি সম্প্রসারণ, গবেষণা ও শিক্ষায় তথ্য প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার ও সংস্কার করা হবে।
১১. সারদাম কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে; বিশেষ করে জৈব সার ব্যবহারের প্রসার ও প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণ নিশ্চিত করা হবে।
১২. প্রিসিশন এগ্রিকালচার সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়ন করা হবে।
১৩. ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষিবিদ নিয়োগ করা হবে এবং দুর্গম এলাকায় কাজের জন্য প্রণোদনা প্রদান করা হবে।
১৪. তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের কৃষি উৎপাদন টেকসই করা হবে; পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
১৫. কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের পরিবহনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৬. ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে বিশেষ জোর দেওয়া হবে; প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও বাজারজাতকরণে সহায়তা দেওয়া হবে।
জামায়াতে ইসলামী মনে করে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের কৃষি খাত আরও টেকসই, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!