জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।   ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে ৪৯ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিজয়ী হতে পারেন বলে আভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সোচ্চার। সংস্থাটি জানায়, শফিকুর রহমানের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেতে পারেন ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ‘নির্বাচনি জরিপ: প্রধান চারটি রাজনৈতিক দলের প্রধানদের আসন’ শীর্ষক জরিপের ফল প্রকাশ করেন সোচ্চারের প্রেসিডেন্ট ড. শিব্বির আহমদ।

জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, আসনটির ৫১৪ জন ভোটারের মতামত নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৯ দশমিক ২ শতাংশ (২৫৩ জন) ভোটার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শফিকুর রহমানকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন।

ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার। ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছেন। আর ৪ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার সিদ্ধান্ত নিলেও তা প্রকাশ করতে চাননি। বাকি ভোটাররা অন্যান্য প্রার্থীদের ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন।

জরিপের লিঙ্গভিত্তিক ফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, মোট ৫১৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৩০৪ জন এবং নারী ২১০ জন। জরিপে পুরুষের চেয়ে নারী ভোটাররা জামায়াত আমিরকে ভোট দিতে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নারী ভোটারদের ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পড়েছে শফিকুর রহমানের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে। আর তিনি পুরুষ ভোট পেয়েছেন ৪৯ শতাংশ।

অন্যদিকে, বিএনপির প্রাথী মিল্টন পুরুষ ভোট বেশি পেয়েছেন। পুরুষ ভোটারদের ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং নারী ভোটারদের ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ ধানের শীষে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

জরিপে ‘আপনি কী মনে করেন এই আসনে কে জিততে পারে?’ এই প্রশ্নে ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ঢাকা-১৫ আসনে জয়ী হবেন জামায়াত প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমান। অপরদিকে ৩০ শতাংশ মনে করেন, বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন জিততে পারেন।

উল্লেখ্য, রাজধানীর মিরপুর (ডিএনসিসি ওয়ার্ড ৪, ১৩, ১৪), ক্যান্টনমেন্ট (ডিএনসিসি ওয়ার্ড ১৬) এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৫ আসন গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। তার মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ এবং নারী ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন চারজন। আসনটিতে আটজন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বিএনপির প্রাথী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মধ্যে।