কক্সবাজারের পেকুয়ায় কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
কক্সবাজারের পেকুয়ায় কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।   ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাসের বাক বদলানো শুরু হয়েছে, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশে সুন্দর ও স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানালেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ । 

বৃহস্পতিবার  সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পেকুয়া উপজেলা সদরের সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে চকরিয়া ও পেকুয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ নিজের ভোট দেন।  

এ সময় তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমদ ও পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদসহ সালাহউদ্দিন আহমদের পরিবারের বাকি সদস্যরাও কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন।

ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি লাইনে সবার শেষে দাঁড়িয়ে ভোট দিলাম। এখানে সবাই এখন নিজের ভোটাধিকার নিয়ে সচেতন। এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশে সুন্দর ও স্বাভাবিক রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যে প্রত্যাশায় রক্ত দিয়েছেন, আমাদের সন্তানের শহীদ হয়েছেন সে প্রত্যাশা-স্বপ্ন আকাশচুম্বী। গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

কোনো দলের নাম উল্লেখ না করেই সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তারা ওভার অ্যাম্বিশিয়াস, বাংলার ঠিক শব্দটা এখানে আনতে পারছি না। অতি উচ্চভিলাষী হবে। তাদের মাঝে তাড়না, যে কোনো ভাবে ক্ষমতায় যেতেই হবে। এই অভিলাষ পুরোনে তারা অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করেছে দেখলাম। কয়েকটি জায়গায় সাজাও হয়েছে। ব্যালট পেপার ছাপানোর মতো কিছু কিছু ঘটনাও দেখেছি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এগুলো আপনারা জানেন, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এসব ঘটনায় তারা জড়িত। তাদের আটক করা হয়েছে, প্রমাণিত হয়েছে। সাজাও দেওয়া হয়েছে। আমরা এর নিন্দা জানাই। আমাদের যে গণতান্ত্রিক চর্চা আছে তা সব রাজনৈতিক দলের মেনে চলতে হবে। এই বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো দিন অপসংস্কৃতি মেনে নেবে না। বরং প্রত্যাখান করবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেছেন, তারা ভিন্ন রাস্তায় বা অন্যভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার যে উচ্চাভিলাষ সেটা বাস্তবায়ন করার জন্য তারা অনৈতিক পন্থা বেছে নিচ্ছে। যা অবশ্যই নিন্দনীয়। বাংলাদেশের মানুষ এদের প্রত্যাখান করেছে, সামনেও করবে।

এমআর/আরটিএনএন