মেহেরপুর ও রাজশাহীতে ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে  সংঘর্ষ।
মেহেরপুর ও রাজশাহীতে ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে  সংঘর্ষ।   ছবি: আরটিএনএন

মেহেরপুর ও রাজশাহীতে ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে  সংঘর্ষ হয়েছে। 

মেহেরপুর-২ আসনের গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদানকে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের অন্তত চার কর্মী আহত হন।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোটকেন্দ্রে জামায়াত ইসলামীর কর্মীদের ভোট প্রদান বাধা দেয় বিএনপির নেতা কর্মী। এ  নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় বিএনপি কর্মীদের হামলায় জামায়াতের চার কর্মী আহত হন।

আহতরা হলেন—ছাতিয়ান হাওড়া পাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ আফিফ (১৮), একই গ্রামের তহিদুল ইসলামের ছেলের সাজ্জাদ (২২), মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী ছেলে শরিফুল ইসলাম (৪০) এবং মুক্তার আলীর ছেলে ইয়ামিন। আহত সকলেই জামায়াত ইসলামীর কর্মী বলে জানা গেছে। 

আহতদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।  

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের কর্মীরা। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা গিয়ে  পরিস্থিতি  নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে, জশাহী-৫ আসনের দুর্গাপুর উপজেলায় ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল ৯টায় দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম ভোটকেন্দ্রের সামনে এলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মণ্ডলের সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষ শুরু হয়। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি বলে জানা গেছে।

দূর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল। আমরা  সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। মেজর কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। আমরা সর্তক অবস্থানে আছি।