ইরান যুদ্ধ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ।   ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা সাইয়্যেদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ।

রোববার (১ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ শোক বার্তা জানায় সংগঠনটি।

খামেনিকে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা অভিহিত করে তাঁর হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে জামায়াতের মহিলা বিভাগ বলেছে, আলোচনার টেবিলে বসা সত্বেও ইরানে হামলা চালানো ও বেসামরিক জনগনকে হত্যা করা বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে অত্যন্ত ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি ছিলেন দৃঢ় ঈমান, আপসহীন অবস্থান ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত তিনি মুসলিম উম্মাহকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন-অত্যাচারীর সামনে মাথা নত করা ঈমানের শিক্ষা নয়। তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল কারবালার চেতনা, যেখানে ইমাম হুসাইন (রা.) ঘোষণা করেছিলেন: “আমার মতো ব্যক্তি, কখনো ইয়াজিদের মতো কারও কাছে ‘বাইআত নেবে না।”

আজ সেই আহ্বান যেন আবার প্রতিধ্বনিত হচ্ছে- একটি জাতি তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঈমানি চেতনাকে ধারণ করে অন্যায় ও দখলদারিত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। শক্তির দম্ভ, নিষ্পেষণ আর রক্তপাতের রাজনীতির বিপরীতে তিনি রেখে গেছেন আত্মমর্যাদা, প্রতিরোধ ও ন্যায়ের বার্তা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আমরা প্রার্থনা করি—আল্লাহ তা‘আলা তাঁর শাহাদাত কবুল করুন, তাঁর ত্যাগ উম্মাহর জাগরণের অনুপ্রেরণা হোক এবং মুসলিম বিশ্বকে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার তাওফিক দান করুন।

 ইরানের সাধারণ জনগনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তাঁর সাথে নিহত সব শহীদদের  রূহের মাগফিরাত কামনা করেছে জামায়াতের মহিলা বিভাগ। তাদেরকে জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা দানে আল্লাহর কাছে প্রার্থনাও জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিবৃতির শেষে প্রত্যাশা করা হয়- ইতিহাস সাক্ষী -রক্ত কখনো বৃথা যায় না, ত্যাগ কখনো মুছে যায় না। সত্যের পতাকা মিথ্যাকে ভূ লুন্ঠিত করে একদিন আরও উঁচুতে উড়বেই, ইনশাআল্লাহ।