বিএনপির সাবেক মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী।
বিএনপির সাবেক মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী।   ছবি: আরটিএনএন

বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব, ভাষাসৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন–এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ পালিত হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পাচুরিয়া গ্রামে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি ও বাংলাপোস্ট–এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ মোহাম্মদ শাহজাহান এই মৃত্যুবার্ষিকীতে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “১/১১–এর দেশের চরম রাজনৈতিক সংকটকালে বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন দলের বিরুদ্ধে চক্রান্ত রুখে দিতে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। একজন আত্মপ্রত্যয়ী, আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসেবে দেশের মানুষের মনে তিনি চিরস্থায়ী শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত থাকবেন। কথার সঙ্গে কাজের মিল ছিল তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। দৃঢ়তা, অটুট মনোবল ও ব্যক্তিত্বে তিনি ছিলেন অনন্য উচ্চতায় একজন ব্যতিক্রমী রাজনীতিবিদ।”

মোহাম্মদ শাহজাহান আরও বলেন, “ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জনগণের মুক্তির সকল সংগ্রামে তিনি রেখেছেন অসামান্য অবদান। মৃত্তিকা ঘনিষ্ঠ এই রাজনীতিবিদ আজীবন জনকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর জাতীয়তাবাদী দর্শনকে বুকে ধারণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া–এর নেতৃত্বে স্বৈরাচারের কবল থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তার অবদান দেশ ও দল চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।”

২০১১ সালের ১৬ মার্চ বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হন।