জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম   ছবি: আরটিএনএন

দেশজুড়ে বিনা পারিশ্রমিকে দুই সহস্রাধিক কিডনি প্রতিস্থাপন করে ব্যাপক সুনাম অর্জনকারী চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

অভিযোগ উঠেছে, যুবদলের নেতা পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি বেশ কিছুদিন ধরে তার প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি করে আসছে এবং এ নিয়ে হুমকিও দিচ্ছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সারাদেশের মানুষের মধ্যে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি হাসপাতালে গিয়ে ডা. কামরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি পুরো ঘটনার বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে মোবারক হোসাইন বলেন, একজন মানবিক ও নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের চাপ ও হুমকি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তিনি ডা. কামরুল ইসলামকে নির্ভয়ে তার সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং আশ্বস্ত করেন যে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকা মানুষ সবসময় তার পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

তিনি সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা সরকারদলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবে এবং ডা. কামরুল ইসলামের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

এ সময় মোবারক হোসাইনের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলানগর উত্তর থানা আমির মুহম্মদ আব্দুল আউয়াল আজম, থানা নায়েব আমির শাহ আজিজুর রহমান, তরুণ ওয়ার্ড সভাপতি সগীর আহমেদ, ডি এম মিজানুর রহমান এবং এইচএম আবুল বাশারসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।