রমজান মাস
রমজানে পর্যাপ্ত ঘুম।   ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাসে ইফতার, সাহরি এবং তারাবির নামাজের কারণে দৈনন্দিন রুটিনে বড় পরিবর্তন আসে। খাবার এবং ঘুমের সময়ের পরিবর্তনের কারণে অনেকেরই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। সুস্থ থাকতে এবং ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে সঠিক খাবার নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রাতের খাবারের পর হালকা ক্ষুধা অনুভূত হলে ভারী বা তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। এর পরিবর্তে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খেলে ঘুম ভালো হয় এবং শরীরও স্বস্তি পায়।

ঘুমের জন্য উপকারী খাবার ও পানীয়

ডিম - রাতের খাবারে প্রোটিন সমৃদ্ধ কিছু রাখলে ভালো হয়। ঘুমানোর ১–২ ঘণ্টা আগে একটি সিদ্ধ ডিম খেলে পেট দীর্ঘসময় ভরা থাকে, শক্তি বজায় থাকে এবং পেশি পুনর্গঠনে সাহায্য করে। হজমও সহজ হয়, ফলে রাতের অপ্রয়োজনীয় খাবারের চাহিদা কমে।

মরিচ – হালকা ঝাল খাবারে রাখা যেতে পারে। সামান্য মরিচ খেলে শরীরের তাপ উৎপাদন বাড়ে এবং বিপাকক্রিয়া সক্রিয় থাকে। চাইলে গরম পানিতে সামান্য মরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পান করলেও উপকার পাওয়া যায়।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার – ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এক গ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে ঘুমের ৩০ মিনিট আগে পান করলে হজম ভালো হয় এবং বিপাকক্রিয়া সক্রিয় থাকে। তবে গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে সতর্ক থাকা উচিত।

ক্যামোমাইল চা – ভেষজ পানীয় হিসেবে শান্তিপূর্ণ ঘুমের জন্য আদর্শ। এটি মন ও শরীরকে শিথিল করে, প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে পারে। ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে এক কাপ চা পেলে ঘুম আরও আরামদায়ক হয়।

সুতরাং, রমজানে হালকা, পুষ্টিকর ও সুষম খাবার বেছে নিলে শুধু ঘুমই ভালো হয় না, ওজন নিয়ন্ত্রণও সহজ হয়।

সিমু/আরটিএনএন