বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে কোপেনহেগেনকে ৪-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে বার্সেলোনা। তবে বড় ব্যবধানের এই জয় দেখে বোঝার উপায় নেই যে ম্যাচের প্রথমার্ধে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যদের কতটা ঘাম ঝরাতে হয়েছিল।
ম্যাচ শুরুর মাত্র চার মিনিটের মাথায় ক্যাম্প ন্যুকে স্তব্ধ করে দেয় ড্যানিশ ক্লাবটি। বার্সেলোনার চিরাচরিত ‘হাই লাইন’ ডিফেন্সের ফাঁক গলে মোহামেদ এলিয়ানুসির থ্রু বল ধরে ১৭ বছর বয়সী ভিক্টর ডাডাসন ঠান্ডা মাথায় গোল করে কোপেনহেগেনকে এগিয়ে দেন।
প্রথমার্ধে ৭৫ শতাংশ সময় বলের দখল রাখলেও বার্সা গোলের দেখা পাচ্ছিল না। রবার্ট লেভানডোভস্কি অস্বাভাবিকভাবে সহজ সুযোগ মিস করেন এবং এরিক গার্সিয়ার শট বারে লেগে ফিরে আসে। ফলে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় স্বাগতিকদের।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পাল্টে দেন তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। দানি ওলমোর দুর্দান্ত এক পাস ধরে ইয়ামাল নিজে শট না নিয়ে দারুণ বুদ্ধিমত্তায় বল বাড়িয়ে দেন লেভানডোভস্কির দিকে। পোলিশ তারকা কোনো ভুল করেননি, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের ১০৬তম গোলটি করে দলকে সমতায় ফেরান।
এরপরের সময়টুকু ছিল শুধুই বার্সেলোনার। বক্সের বাইরে থেকে ইয়ামালের নেওয়া শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে জালে জড়ালে লিড নেয় বার্সা। এর কিছুক্ষণ পরেই ইয়ামালের ক্রস বুক দিয়ে নামানোর সময় ফাউলের শিকার হন লেভানডোভস্কি, যা থেকে পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে ব্যবধান ৩-১ করেন রাফিনহা।
ম্যাচের শেষদিকে বদলি হিসেবে নামা মার্কাস র্যাশফোর্ড ফ্রি-কিক থেকে চতুরতার সাথে চতুর্থ গোলটি করেন। কোপেনহেগেন শেষের দিকে একটি গোল শোধ দিলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। এই জয়ের ফলে লিগ পর্বে পঞ্চম স্থানে থেকে দাপটের সাথেই নকআউট পর্বে পা রাখল বার্সেলোনা, যেখানে তাদের পিএসজি বা নিউক্যাসলের মতো দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র : গোল ডটকম
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!