দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিলেন কুইন্টন ডি কক। আর প্রত্যাবর্তনটা তিনি রাঙালেন স্মরণীয় এক সেঞ্চুরিতে। ডি ককের বিধ্বংসী ১১৫ রান এবং রায়ান রিকেলটনের অপরাজিত ৭৭ রানে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ২২২ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দক্ষিণ আফ্রিকা টপকে গেল অনায়াসেই। সাত উইকেটের এই বড় জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিলেন নতুন কোচ শুকরি কনরাডের শিষ্যরা।
সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুটা করেছিল ঝোড়ো গতিতে। ব্র্যান্ডন কিং ও শিমরন হেটমায়ার প্রথম ১০ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ১১৫ রান জমা করেন। শেষদিকে শারফেন রাদারফোর্ড মাত্র ২৪ বলে অপরাজিত ৫৭ রানের টর্নেডো ইনিংস খেললে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২২১ রান। তবে মাঝের ওভারগুলোতে কেশব মহারাজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কিছুটা লাগাম টানে প্রোটিয়ারা। ১৫তম ওভারে মহারাজ মাত্র ৩ রান দিয়ে রোভম্যান পাওয়েল ও সেট ব্যাটার হেটমায়ারকে (৭৫) সাজঘরে ফিরিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার শুরু থেকেই ক্যারিবীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন। বিশেষ করে ডি কক ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ৪৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার, যা এই ফরম্যাটে তার দ্বিতীয় শতক। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ১০টি ছক্কা ও ৬টি চারের সাহায্যে ১১৫ রান করে থামেন তিনি। অন্যদিকে, নতুন পজিশন তিন নম্বরে নেমে রিকেলটনও ছিলেন দুর্দান্ত। মাত্র ২৫ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে শেষ পর্যন্ত ৭৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
ডি কক ও রিকেলটনের ১৬২ রানের জুটিতে ভর করে ১৫ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ে টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ফাফ ডুপ্লেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন ডি কক। একইসাথে তিনি টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ১২,০০০ রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন। ম্যাচসেরা ডি ককের এমন অতিমানবীয় ইনিংসের কাছে ম্লান হয়ে যায় কিং, হেটমায়ার ও রাদারফোর্ডের লড়াই। বোলারদের ব্যর্থতা আর ফিল্ডিংয়ের ভুলে বড় স্কোর গড়েও হার মানতে হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।
সূত্র : ইএসপিএন ক্রিকইনফো
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!