পূর্বাচলে জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাটি লুটের ঘটনায় কয়েকজনকে দায়ী করে গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে একটি লিখিত বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে সংস্থাটি।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, পূর্বাচল স্টেডিয়ামের মাটি লুটের ঘটনায় পাঁচ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান দায়ী এবং বিষয়টি তদন্তে গঠিত স্বাধীন কমিটি এরই মধ্যে তাদের প্রতিবেদন বিসিবিতে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বিসিবির বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তার নামও উল্লেখ করা হয়।
তবে বিসিবির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত অনুসন্ধান কমিটির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবেদন বোর্ডের কাছে জমা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অনুসন্ধানের ফলাফল উপস্থাপনও করেনি।
বিবৃতিতে বিসিবি বলেছে, অনুসন্ধানের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন তথ্য উপস্থাপন করে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা বাস্তব পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না। এ কারণে যথার্থতা, ন্যায্যতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার আহ্বান জানিয়েছে বোর্ড।
উল্লেখ্য, পূর্বাচল স্টেডিয়ামের মাটি কম থাকার বিষয়টি নিয়ে এর আগেও গণমাধ্যমে আলোচনা হয়। পরে বিসিবি তদন্তের উদ্যোগ নেয়। বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট নিজেও মাঠ পরিদর্শন করে মাটির ঘাটতির বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন।
বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়া এখনো চলমান এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা দায় নির্ধারণ করা হয়নি।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!