হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত জেতা হলো না নেপালের। ফেভারিট ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৮০ রানেই থামতে হলো হিমালয়ের দেশটির। শেষ ওভারে স্যাম কারানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৪ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেয়েছে ইংলিশরা।
ওয়াংখেড়েতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জ্যাকব বেথেল ও হ্যারি ব্রুকের ফিফটিতে ১৮৪ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে নেপাল শুরু থেকেই ইংলিশ বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। দিপেন্দ্র সিং আইরি এবং রোহিত পাউডেলের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল নেপাল। শেষদিকে লোকেশ বামের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচটি নেপালের পক্ষে চলে আসে। ১৯তম ওভারে লুক উডের কাছ থেকে ১৪ রান আদায় করে নেপাল শেষ ওভারে জয়ের সমীকরণ ১০ রানে নামিয়ে আনে।
তবে শেষ ওভারে স্নায়ুর চাপ সামলে দুর্দান্ত বোলিং করেন স্যাম কারান। মাত্র ৫ রান দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। নেপাল হারলেও তাদের লড়াকু মানসিকতা ক্রিকেট বিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অন্যদিকে, জয় পেলেও টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ইংল্যান্ডের বোলিং দুর্বলতা এই ম্যাচে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আগে ব্যাট করে, ১৮৪ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেপাল ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান পর্যন্ত পৌঁছে যায়। জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছালেও শেষ পর্যন্ত বড় চমক দেখাতে পারেনি তারা। আগে ব্যাট করে জ্যাকব বেথেল ও হ্যারি ব্রুকের দুর্দান্ত অর্ধশতকে ইংল্যান্ড সংগ্রহ করে ১৮৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর। জ্যাকব বেথেল ৫৫ রান এবং হ্যারি ব্রুক ৫৩ রান করে আউট হন।
জবাবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে নেপাল। ওপেনার কুশল ভুর্তেল জোফরা আর্চারের এক ওভারে তিনটি বাউন্ডারি মেরে দলের জন্য দারুণ সূচনা এনে দেন। এরপর দিপেন্দ্র সিং আইরি ও অধিনায়ক রোহিত পাউডেলের ৫৪ বলে ৮২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি ম্যাচে নেপালকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। শেষ ছয় ওভারে তাদের প্রয়োজন ছিল ৬২ রান।
তবে এই দুজনের জুটি ভেঙে ম্যাচে ফেরে ইংল্যান্ড। এরপর আরেক দফা টুইস্ট! আর শেষদিকে লোকেশ বাম দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ম্যাচে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেন। স্যাম কারানের বিপক্ষে বাউন্ডারি এবং আর্চারের এক ওভারে দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি সমীকরণ সহজ করে ফেলেন। লুক উডের করা ১৯তম ওভার থেকে আসে ১৪ রান, ফলে শেষ ওভারে নেপালের প্রয়োজন দাঁড়ায় ১০ রান।
শেষ ওভারে দায়িত্ব নেন স্যাম কারান। চাপে থেকেও দারুণ ইয়র্কার লেন্থে বল করে মাত্র ৫ রান দেন তিনি। শেষ বলে ছক্কা প্রয়োজন ছিল নেপালের, কিন্তু বাম বলটি সঠিকভাবে টাইম করতে না পারায় ডিপ এক্সট্রা কভারে ক্যাচ উঠে যায়। ক্যাচ ধরতে পারেননি ফিল্ডার। তবে ১ রানের বেশি দেননি।
রোমাঞ্চকর এই জয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে ইতিহাস গড়ার খুব কাছাকাছি গিয়েও আরেকটি হৃদয়ভাঙা হার সঙ্গী হলো নেপালের। তবে শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে যেভাবে চাপে ফেলেছে, তাতে নেপালের লড়াকু পারফরম্যান্স ক্রিকেট বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!