মাজার ভাঙা ও পীর হত্যার প্রতিবাদে ঢাবিতে বামজোটের বিক্ষোভ, শিক্ষা, ঢাবি, বাম জোট,
বিক্ষোভের দৃশ্য।   ছবি: আরটিএনএন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গোলাম-এ-বাবা কালান্দার জাহাঙ্গীর দরবার শরিফে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে নিহত হন ওই দরবারের ‘পীর’। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে বামজোটের নেতারা।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে নয়টার দিকে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতারা বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পায়রা চত্বর থেকে শুরু করে ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ করেন।

জানা গেছে, মাজারে হামলা-অগ্নিসংযোগ, পীর শামীম হত্যা, শাহবাগে সমকামীদের ওপর হামলা এবং সারাদেশে মব সন্ত্রাসের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিক্ষোভ মিছিলটি করেন গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতারা।

নিহত আব্দুর রহমান ওরফে শামীম (৭০) উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকার মৃত জেসের মাস্টারের ছেলে।

বিক্ষোভ মিছিলে ‘শাহবাগে হামলা কেন? বিএনপি জবাব চাই’, ‘মব সন্ত্রাস হয়নি শেষ, গর্জে ওঠো বাংলাদেশ’, ‘মাজারে হামলা কেন? বিএনপি জবাব চাই’, ‘সুফি-ইমাম খুন কেন? বিএনপি জবাব চাই’—ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেঘমাল্লার বসু বলেন, ‘দেশের সকলের নাগরিক অধিকার রয়েছে এবং প্রত্যেক মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তবে জঙ্গিদের অন্য কিছু বলে অভিহিত করার দিন শেষ। জঙ্গিদের জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে এবং রাষ্ট্রকে তাদের সে অনুযায়ী দমন করতে হবে। বিএনপি সরকার যে আগুন নিয়ে খেলছে, এই আগুন নিয়ে খেলার ফলাফল ভালো হবে না।’