নবগঠিত সরকারের কতিপয় মন্ত্রীর লাগামহীন ও অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহেল রানা। গত ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে তিনি সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
‘অপ্রয়োজনীয় বক্তব্যে ক্ষতি হচ্ছে সরকারের’
সোহেল রানা তার পোস্টে উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ এক বুক আশা নিয়ে নতুন সরকারকে গ্রহণ করেছে। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই কিছু মন্ত্রীর দপ্তরের এখতিয়ার বহির্ভূত এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মহোদয়, অনুগ্রহ করে কিছু মন্ত্রীদের মুখে টেপ লাগিয়ে দিতে বলুন।’
সোহেল রানার মতে, বিশেষ কোনো জরুরি সংবাদ ছাড়া মন্ত্রীদের বারবার ক্যামেরা বা মিডিয়ার সামনে আসার প্রয়োজন নেই। প্রতিটি দপ্তরের জন্য নির্দিষ্ট মুখপাত্র থাকা উচিত এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরেই কেবল বক্তব্য দেওয়া শ্রেয়।
‘কর্মী থেকে মন্ত্রী’ হওয়ার ব্যবধান বুঝতে হবে
সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে এই অভিনেতা আরও বলেন, হঠাৎ করে কর্মী থেকে এমপি এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী হয়ে অনেকে নিজেদের পদের গুরুত্ব ভুলে গেছেন। তারা বর্তমানে দলীয় নেতার চেয়ে বড় হয়ে ‘সরকারের দায়িত্বশীল’ হিসেবে কাজ করছেন—এই বাস্তবতা অনুধাবন করা জরুরি। কেউ কেউ নিজের দপ্তরের বাইরেও ‘জিহাদ ঘোষণা’র মতো উগ্র মন্তব্য করছেন, যা অনভিপ্রেত।
পিঁপড়ায় খেয়ে ফেলবে লাভের গুড়
অভিনেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এখনই যদি এসব মন্ত্রীর লাগাম টেনে ধরা না হয়, তবে সরকারের সব অর্জন ম্লান হয়ে যাবে। তার ভাষায়, ‘এখন থেকে নিয়ন্ত্রণ না করলে লাভের গুড় পিঁপড়ায় খেয়ে ফেলবে।’ অর্থাৎ, গুটিকয়েক মানুষের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে পুরো সরকারের সাফল্য ভেস্তে যেতে পারে।
সোহেল রানার এই সাহসী অবস্থান ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং নেটিজেনরা তার এই গঠনমূলক সমালোচনাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
আরবিএ/আরটি এনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!