ইরান, ট্রাম্প, খোমেনি, আরাকচি, ওমান, ইরান, ইসরায়েল
ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলা পরবর্তী চিত্র   ছবি: সংগৃহীত

লেবাননের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে ‘ইকলিম আল-তুফাহ’ অঞ্চলে ইসরায়েল একনাগাড়ে বিমান হামলা চালিয়েছে। গত কয়েক দিনে হিজবুল্লাহর কৌশলগত অবকাঠামো মনে করে ইসরায়েল তাদের হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ধারণা, হিজবুল্লাহর কাছে রকেট লঞ্চার ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রয়েছে।

লেবাননে যে প্রশ্নটি বারবার ঘুরেফিরে আসছে তা হলো—ইরানের ওপর ইসরায়েল হামলা চালালে হিজবুল্লাহর প্রতিক্রিয়া কী হবে? তবে প্রশ্ন এটাও রয়েছে যে, ইসরায়েল আসলে কী পদক্ষেপ নেবে? এই ফ্রন্ট থেকে আসা সম্ভাব্য সব হুমকি নস্যাৎ করতে তারা হিজবুল্লাহর ওপর আগাম কোনো হামলা চালাবে কি না, সেটাও এখন দেখার বিষয়।

এখন পর্যন্ত ইরান সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া না গেলেও, দেশটির ‘ফার্স’ নিউজ এজেন্সি থেকে বেশ কিছু তথ্য জানা যাচ্ছে। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবল রাজধানী তেহরানেই নয়, বরং রাজধানীর অদূরে ‘কোম’ এবং দেশের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ‘ইসফাহানে’ও হামলা চালানো হয়েছে।

খবরে ইরানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর এবং ‘পাস্তুর’ এলাকায় হামলার কথা বলা হচ্ছে, যেখানে রাষ্ট্রপতির বাসভবন অবস্থিত। তবে এই হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অবশ্য পাস্তুর এলাকায় বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং তাদের হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই