অভিবাসনবিরোধী জনমত এবং ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার। আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার এবং সুদানের নাগরিকদের জন্য স্টুডেন্ট ভিসা প্রদান সাময়িকভাবে বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এছাড়া, আফগান নাগরিকদের জন্য কর্মভিসাও স্থগিত করা হয়েছে।
২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই চার দেশের শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের (অ্যাসাইলাম) আবেদন ৪৭০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। স্টাডি ভিসায় এসে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনের এই নাটকীয় বৃদ্ধি ঠেকাতে প্রথমবারের মতো এই দেশগুলোর ওপর ‘ভিসা নিষেধাজ্ঞা’ আরোপ করা হয়েছে। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ জানিয়েছেন, ব্রিটেন নিপীড়িতদের আশ্রয় দিলেও ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার বরদাস্ত করবে না।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও লক্ষ্য:
১. যুক্তরাজ্যে বর্তমানে অভিবাসন একটি প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু। কট্টরপন্থী দল ‘রিফর্ম ইউকে’-এর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা মোকাবিলা করতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
২. অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের দ্রুত বিতাড়ন এবং আশ্রয় প্রক্রিয়ায় কঠোরতা আনার মাধ্যমে জনরোষ প্রশমিত করার চেষ্টা করছে সরকার।
৩. হোম অফিসের মতে, ২০২৫ সালে স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের আশ্রয়ের আবেদন ২০% কমানো সম্ভব হলেও, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ অপরিহার্য ছিল।
হোম অফিস আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালে স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের আশ্রয়ের আবেদন ২০ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছে। তবে 'স্টাডি ভিসা'য় আসা ব্যক্তিদের আবেদন এখনও মোট আবেদনের ১৩ শতাংশ। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।
ব্রিটিশ সরকারের এই সিদ্ধান্ত যুদ্ধবিধ্বস্ত বা রাজনৈতিক অস্থিরতায় থাকা দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগকে সংকুচিত করবে, যা বিশ্বজুড়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!