ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান   ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয়, আরব ও ইসলামি দেশগুলোর ওপর ইরানের "জঘন্য" হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, বিমানবন্দর ও জ্বালানি (তেল) স্থাপনাগুলোর মতো বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো "অত্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলার এক সুনির্দিষ্ট অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি আন্তর্জাতিক সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।"

একইসঙ্গে এসব হামলার পক্ষে ইরানের দেওয়া খোঁড়া যুক্তিগুলোও প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব। যুদ্ধের জন্য সৌদি আরব তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) উড়োজাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে বলে তেহরান যে দাবি করেছিল, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াদ।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তেহরান যেসব উড়োজাহাজের কথা বলছে, সেগুলো মূলত ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে সৌদি আরব এবং জিসিসি (উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ)-এর আকাশসীমা রক্ষার জন্য আকাশপথে টহল দিচ্ছিল।

মন্ত্রণালয়টি আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইরানের এই অব্যাহত হামলা "সংঘাতকে আরও তীব্র করারই ইঙ্গিত দেয়", যা দুই দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ওপর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে আরও বলে, "আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই যে, আমাদের দেশগুলোর প্রতি ইরানের বর্তমান পদক্ষেপগুলো কোনোভাবেই তাদের প্রজ্ঞার পরিচয় দেয় না। এমনকি এই সংঘাতের বিস্তার রোধ করার কোনো সদিচ্ছাও তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে না। আর এই সংঘাত বাড়লে ইরানই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে (বা সবচেয়ে বড় পরাজিতের কাতারে থাকবে)।"