সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দুটি তেল শোধনাগারে হামলার পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে ‘সামরিক পদক্ষেপ’ নেওয়ার অধিকার রিয়াদের রয়েছে। রিয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইরানকে অবশ্যই তাদের ‘ভুল সিদ্ধান্তগুলো’ পর্যালোচনা করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের হামলা তেহরানের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনবে না।
প্রিন্স ফয়সাল বলেন, “ইরান প্রতিবেশীদের সঙ্গে আলোচনায় বিশ্বাসী নয়, বরং তারা প্রতিবেশীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।” তিনি আরও বলেন, এই কৌশল সফল হবে না, বরং এটি রাজনৈতিক ও নৈতিকভাবে তেহরানের জন্যই হিতে বিপরীত হবে। তেহরানের প্রেক্ষাপটে এটিকে ইরান-সৌদি সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়ার ‘সূচনার সমাপ্তি’ হিসেবে দেখা যেতে পারে—যেটি মাত্র কয়েক বছর আগে চীনের মধ্যস্থতায় একটি চুক্তির মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
বিষয়টিকে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে একটি ‘কঠোর আল্টিমেটাম’ ছাড়া অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেওয়া বেশ কিছু পদক্ষেপ। মূলত ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা এবং ইরানের আসালুয়েহতে গ্যাস স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলার পরই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সৌদি আরবের এই আল্টিমেটাম ইরান কীভাবে গ্রহণ করবে তা বলা মুশকিল, কারণ গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানের আচরণ ছিল অনিশ্চিত। বিশ্লেষকদের মতে, এটি আর আমাদের সেই চেনা ইরান নেই। সেখানে এখন নতুন নেতৃত্ব ও নতুন মনমানসিকতা কাজ করছে এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো—ইরান এখন একটি যুদ্ধের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!