কাতার, এলএনজি
কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে কাতারএনার্জির এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্রের দৃশ্য।   ছবি: সংগৃহীত

কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি সক্ষমতার প্রায় ১৭ শতাংশ ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং স্থাপনাগুলো পুরোপুরি সচল করতে ৩ থেকে ৫ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারএনার্জির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদ আল-কাবি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “আমি কল্পনাও করিনি যে কাতার বা এই অঞ্চল এমন হামলার মুখে পড়বে। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে একটি মুসলিম দেশের কাছ থেকে এমন আক্রমণ অকল্পনীয়।”

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে অবস্থিত এলএনজি স্থাপনাগুলোর কিছু অংশ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই স্থাপনাটির কিছু অংশে আগুনও ধরে যায়।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন ইসরায়েল সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র-এর একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে বিমান হামলা চালায়। বিশ্বের বৃহত্তম এই গ্যাসক্ষেত্রটি ইরান ও কাতারের মধ্যে ভাগ করা।

এর জবাবে ইরান সৌদি আরব, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত-সহ বিভিন্ন দেশের জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে এবং বৈশ্বিক গ্যাস সরবরাহেও দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স