ঈদুল ফিতর সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে। সুগন্ধি চাল, সেমাই, চিনি ও মসলাসহ প্রায় সব প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে সুগন্ধি চাল, সেমাই, চিনি, দুধ ও মসলা। বাড়তি চাহিদার কারণে গত কয়েকদিনেই অনেক পণ্যের দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
বাজারে সুগন্ধি চাল কিনতে এখন কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে। কালিজিরা ও চিনিগুঁড়া চালের প্যাকেট ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর খোলা চাল পাওয়া যাচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর-এর তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় সুগন্ধি চালের দাম প্রায় ২৩ শতাংশ বেড়েছে।
সেমাইয়ের বাজারেও একই চিত্র। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২০০ গ্রাম সেমাই ৪০-৪৫ টাকা, ৮০০ গ্রাম বোম্বাই সেমাই ২৮০ টাকা এবং খোলা লাচ্ছা সেমাই কেজিপ্রতি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চিনির দামও বেড়েছে। আমদানি করা চিনি কেজিপ্রতি ১০০-১০৫ টাকা এবং দেশি চিনি ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রোজার শুরুর তুলনায় কেজিতে প্রায় ৫ টাকা বেশি।
মসলার বাজারে দাম আরও বেশি চড়া। এলাচ কেজিপ্রতি ৫ হাজার টাকা, দারুচিনি ৫৬০-৬০০ টাকা, জয়ত্রি প্রায় ৪ হাজার টাকা এবং জায়ফল ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লবঙ্গ, জিরা, ধনিয়া ও তেজপাতার দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
শুকনো ফলের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। কিশমিশ, কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ও পেস্তার দাম বেড়ে গেছে বেশ ভালোভাবেই।
এদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় খোলা তেলের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ২১৫ থেকে ২২০ টাকায় উঠেছে।
তবে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। পেঁয়াজ, আলু, টমেটো, শসা ও বেগুনসহ বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। পেঁয়াজ ৩০-৪০ টাকা, আলু ১৮-২০ টাকা এবং টমেটো ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ঈদকে সামনে রেখে লেবুর দাম বেড়ে প্রতিহালি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে চাহিদা বাড়ায় দাম বাড়লেও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত স্থিতিশীল হতে পারে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!