ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, তেল আবিব
তেল আবিবে এক জনাকীর্ণ সড়কে জরুরি উদ্ধারকর্মী ও পুলিশ জড়ো হয়েছে।   ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েল থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত ফুটেজে তেল আবিবের একটি অংশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে। একটি স্থানে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপে পূর্ণ এক জনাকীর্ণ সড়কে জরুরি উদ্ধারকর্মী ও পুলিশ জড়ো হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি গাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—একটি গাড়ি উল্টে একপাশে পড়ে আছে এবং অন্যগুলো দুমড়েমুচড়ে গেছে।

হিজবুল্লাহর রকেটগুলো উত্তর ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করার পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলেও আঘাত হানতে দেখা গেছে। তবে ইরানের সাম্প্রতিক হামলাগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ ইসরায়েল। ইসরায়েলি জরুরি সেবা সংস্থা দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলার বিষয়টি শনাক্ত করলেও প্রথমে সেখান থেকে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরবর্তীতে ‘ইসরায়েলি ব্রডকাস্টিং অথরিটি’ জানিয়েছে, দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।

গত কয়েক দিনে দেখা গেছে, ইরান দক্ষিণ ইসরায়েলকে তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু করেছে। এর মধ্যে দিমোনা শহরও রয়েছে, যেখানে একটি পারমাণবিক কেন্দ্র অবস্থিত। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টির পর তেল আবিবের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে।

‘টাইমস অব ইসরায়েল’ একটি ভবনের ক্ষয়ক্ষতির খবর জানিয়েছে। অন্যদিকে পুলিশের বরাত দিয়ে ‘হারেৎজ’ জানিয়েছে, ঘটনায় চারজন সামান্য আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের জরুরি চিকিৎসা সেবা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা দেশের মধ্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি স্থানে উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে।

ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা জানিয়েছে, ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত বেশ কয়েকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে ‘ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম’ (ইসরায়েলের জাতীয় জরুরি সেবা সংস্থা) জানিয়েছে, সর্বশেষ এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখন পর্যন্ত কারও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে এ বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য জানানো হবে।”

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল ও আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই