ফ্রান্সের ২০২৬ সালের পৌর নির্বাচনে নতুন ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের মেয়ে তানিয়া তুনু। গার্ঝ-লে-গোনেস (৯৫২৬৮) এলাকা থেকে লা ফ্রঁস ই্যুমানিস্ত পার্টি এর পক্ষে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। পেশায় আইনজীবী তানিয়া তুনু এই সাফল্যের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গর্বের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
এছাড়া এবারের নির্বাচনে আরও চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তারা হলেন— নাহিদুল মোহাম্মদ (সেইন্ট ডেনিস), ফাহিম মোহাম্মদ (ক্রেতেই), কৌশিক রাব্বানী (সেইন্ট ডেনিস) এবং জুবায়েদ আহমেদ (ইভরি সুর সেইন)। তাদের এই বিজয় ফ্রান্সে বাংলাদেশি প্রবাসীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের একটি শক্তিশালী ইঙ্গিত বহন করছে।
নির্বাচনে বিজয়ের পর ফোনালাপে তানিয়া তুনু জানান, তিনি স্থানীয় কমিউনিটির উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করে যেতে চান। তিনি বলেন, “মানুষের আস্থা ধরে রেখে তাদের পাশে থাকতে চাই।”
এদিকে, ফ্রান্সের এই পৌর নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার চূড়ান্ত ফলাফলে দেশটির রাজনৈতিক চিত্রে স্পষ্ট বিভাজন দেখা গেছে। বড় শহরগুলোতে বামপন্থি দলগুলোর শক্ত অবস্থান অব্যাহত থাকলেও ডানপন্থি ও কট্টর ডান দলগুলিও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
গত ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার ভোটে প্যারিস, লিও, মার্সেই, নন্ত এবং রেন শহরে বামপন্থি প্রার্থীরা তাদের জয় ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
প্যারিসে বাম জোটের প্রার্থী এমানুয়েল গ্রেগোয়া ৫০.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিদা দাতি পেয়েছেন ৪১.৪ শতাংশ ভোট এবং সোফিয়া শিকিরু পেয়েছেন ৮.১ শতাংশ ভোট।
ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনের পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন। এখানে ভোটাররা সরাসরি মেয়র বা কাউন্সিলর প্রার্থীকে ভোট দেন না। বরং তারা একটি পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকার পক্ষে ভোট দেন, যা সাধারণত মেয়র প্রার্থীর নেতৃত্বে গঠিত হয়। তালিকাটি যে পরিমাণ ভোট পায়, সেই অনুপাতে পৌর পরিষদের আসন বণ্টন করা হয় এবং তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীরা নির্ধারিত ক্রম অনুযায়ী নির্বাচিত হন।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনের ফলাফল ফ্রান্সের রাজনীতিতে একদিকে যেমন বামপন্থিদের শক্ত অবস্থান তুলে ধরেছে, অন্যদিকে ডানপন্থিদের উত্থানেরও ইঙ্গিত দিয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!