ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ‘চূড়ান্ত হামলার’ প্রস্তুতি নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শান্তি আলোচনার পাশাপাশি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতিও চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। প্রয়োজনে ব্যাপক বিমান হামলার পাশাপাশি স্থলবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনাও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
দুই মার্কিন কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরও দুইজনের বরাতে অ্যাক্সিওস জানায়, তেহরান ও ওয়াশিংটন-এর মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হলে বড় হামলার পথে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ—খার্ক, লারাক ও আবু মুসার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি-এর পূর্বদিকে ইরানি তেলবাহী জাহাজে অবরোধ আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার মতে, বড় ধরনের হামলা শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগত সুবিধা এনে দিতে পারে। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের অনেক কর্মকর্তা স্থল অভিযানের বিষয়টিকে এখনো ‘কাল্পনিক’ হিসেবেই দেখছেন।
এদিকে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিশর সংলাপ আয়োজনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পাল্টা জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। জর্ডান, ইরাক, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ একাধিক দেশে এসব হামলার প্রভাব পড়েছে।
প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাতে প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিমান চলাচল ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!