জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসন, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন। সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
সোমবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
চার প্রার্থী হলেন-বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনে মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
রোববার নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও ফলাফলের রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মে দিন ধার্য করা হয়।
বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। এই দুই আসনে পরাজিত বিএনপি প্রার্থী পক্ষ থেকে এ আবেদন করা হয়।
এর আগে তিন আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আসনগুলো হলো-ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪।
শেরপুরের একটি আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আবেদন করে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে আদেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে ওই আসনগুলোর নির্বাচনী সরঞ্জামাদি ইসিকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ওই আসনগুলোর বিজয়ী প্রার্থীকে নোটিশ দিয়েছেন আদালত। অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪ শেরপুরের-১ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আসনগুলোর পরাজিত প্রার্থীরা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে ভোটের ফলাফল পুনঃগণনা চাওয়া হয়।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করেন।
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!