সারাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ময়মনসিংহে শিশু, বাগেরহাটে যুবক ও মুন্সীগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়াও দেশব্যাপী সহিংসতাতে আহত হয়েছেন ২ শতাধিক ব্যক্তি।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, অধিকাংশ জেলায় বিএনপি কর্তৃক বিরোধী দলীয় জামায়াত জোটের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
১১-দলীয় জোটের নেতাকর্মীসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব হামলার প্রতিবাদ জানান তিনি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে এক শিশুকে পিটিয়ে হত্যা ও তিনজনকে আহত করা হয়েছে।
অন্যদিকে মুন্সীগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম করা হয়েছে চারজনকে।
পটুয়াখালীর বাউফল, গলাচিপা, বাগেরহাট, পঞ্চগড়, ঝালকাঠি, পিরোজপুর নরসিংদী, কুমিল্লা, বরগুনা-২, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা, মুন্সীগঞ্জ ও পিরোজপুরের ইন্দুরকানী, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে হামলায় আহত হয়েছেন প্রায় ২ শতাধিক।
ময়মনসিংহ : হালুয়াঘাটে সহিংসতায় বিএনপি কর্মীর এক শিশু সন্তান ও অন্য এক ঘটনায় বিএনপির তিন কর্মী আহত হয়েছেন। নিহত শিশু স্বদেশী ইউনিয়নের বাউশা গ্রামের বিএনপির কর্মী দুলাল মিয়ার ছেলে ইমন (১২)। আহতরা হলো ভূবনকুড়া ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন, বিএনপিকর্মী উসমান গণী।
নিহত ইমনের বাবা দুলাল মিয়া বলেন, আমাকে একই এলাকার স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের কর্মী আতাহার ধানের শীষের নির্বাচন করতে নিষেধ করার পরেও আমি নির্বাচন করায় শুক্রবার বিকালে আমার ছেলেকে সুুপারি চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।
অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের সমর্থকরা ভূবনকুড়া ইউনিয়নের বাঘাইতলা বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছে বলে জানান বিএনপিকর্মীরা। ৩ জনকে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস আলম বলেন, পৃথক দুটি ঘটনা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মুন্সীগঞ্জ : সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আব্দুল্লাহ গ্রামে বিএনপি সমর্থক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ফুটবল প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পালটা হামলায় মো. জসিম নায়েব (৩৫) নামের একজন নিহত ও অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকালের সংঘর্ষে গুরুতর আহত জসিমকে রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত জসিম চর আব্দুল্লাহ গ্রামের মাফিক নায়েবের ছেলে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন তার বাবা মাফিক নায়েব ও বড় ভাই মো. মোখলেছ। তারা ঢামেকের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
নির্বাচনের আগে থেকেই ধানের শীষ সমর্থক নাসির ডাক্তার ও শওকত আলী সরকারের সঙ্গে স্থানীয় মাফিক নায়েবের বিরোধ চলছিল। পূর্বের বিরোধের জেরে দুপক্ষ ভিন্ন ভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেন-নিহত জসিম ও তার পরিবার ফুটবল প্রতীকের পক্ষে এবং নাসির ও শওকতরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে কাজ করেন।
নিহতের পরিবারের দাবি, শুক্রবার মাফিক নায়েবের বাড়িতে ককটেল হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। বাধা দিতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় নাসির দেওয়ান ও তার লোকজন জসিমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। তাদের হামলায় নারীসহ আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
জসিমের আত্মীয় মো. দিদার বলেন, বহু বছরের বিরোধের জেরেই এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং প্রতিপক্ষ তাদের এলাকা ছাড়া করতেই হামলা চালায়।
তবে নিহত জসিমের খালা হাওয়া বেগম জানান, শুক্রবার জসিম তার বাবা ও ভাইকে নিয়ে অটোরিকশায় মুন্সীগঞ্জ সদরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশাটি উলটে গেলে তিনজন আহত হন। পরে তাদের দ্রুত ঢামেকে নেওয়া হলে চিকিৎসক জসিমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে একই ইউনিয়নের জাজিরা গ্রামে ফুটবল সমর্থক নাতিকে হামলা করতে গেলে বাধা দিতে গিয়ে ৯০ বছর বয়সি নানি হালেমা বেগম ধানের শীষ সমর্থকদের হামলায় রক্তাক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া রাত ৯টা পর্যন্ত আধারা ইউনিয়নের চর আব্দুলাহ ও শিলাই ইউনিয়নের পূর্বারাখি গ্রামে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছিল বলে জানা গেছে।
মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. ফিরোজ কবির জানান, মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কথা শুনেছে, তবে বড় ধরনের কোনো ঘটনার কথা কেউ জানায়নি।
বাগেরহাট: বাগেরহাটের কচুয়ায় নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর এক সমর্থক মারা গেছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
নিহত ব্যক্তির নাম ওসমান সরদার (২৯)। তিনি সদর উপজেলার পাড়নওয়াপাড়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে এবং বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ এইচ সেলিমের সমর্থক ছিলেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কচুয়ার ধোপাখালী ইউনিয়নের ছিটাবাড়ি গ্রামে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও দলের ‘বিদ্রোহী’ ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ওসমান সরদারসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন-পরবর্তী হামলা-পালটা হামলা, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় পালটাপালটি হামলায় ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের থানা রোডে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন-কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ আলী, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বিএনপিকর্মী খোকন হোসেন ও তার ছেলে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইবন হোসেন। আহতরা সবাই স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সমর্থক।
ঝিনাইদহ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী আবু তালিব নির্বাচিত হন। সেখানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান।
নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর শুক্রবার সকালে ধানের শীষের কয়েকজন সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। সে সময় চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। থানার ১০০ গজ দূরে ঘটনা ঘটলেও ১ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত ইবনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালী : পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল কর্মী-সমর্থকদের বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধরের ঘটনার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা বিএনপি। শুক্রবার বিকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করা হয়।
এতে উলেখ করা হয়, দাশপাড়া বিএনপির সভাপতি মো. আজম, যুবদল আহ্বায়ক গাজী গিয়াস, যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজের বাড়ি, মদনপুরা ইউনিয়নে বিএনপির কার্যালয় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। কেশবপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা আরিফ, আবু তাহের, অলিউল্লাহ, আফজাল বয়াতি, বাচ্চু মালাকার ও দেলোয়ারকে মারধর করা হয়। কেশবপুর ইউনিয়নের সিকদার বাজারে জামায়াত শিবিরকর্মীরা বিএনপি সমর্থক মিজানের ফার্মেসি তালাবদ্ধ করে দিয়েছে। চন্দ্রদ্বীপ এলাকায় বিএনপি নেতা ফিরোজ, কামাল মেম্বার, সালাম শরীফ, আলমগীর সরদারকে মারধর করা হয়। একই সময় হামলাকারীরা ওই এলাকার বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর করে। কনকদিয়া ইউনিয়নে জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থীর খালাতো ভাই মাহামুদের নেতৃত্বে বিএনপিকর্মী আলমগীর গাজীকে কুপিয়ে আহত করা হয়।
পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি অফিসে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় এ হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এতে সময় অফিসের সামনে থাকা মোটরসাইকেল, টিভি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির অফিস ও বাউফল যুবদলের আহ্বায়ক কাজী গিয়াস উদ্দিনের বাসা ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা।
গলাচিপায় ছাত্র অধিকারের কর্মীদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের ৩ কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক কে আলী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান, জুলাই যোদ্ধা বাপ্পী খান ও ছাত্রদল নেতা শরীফ আহম্মেদ হাসান আহত হন। আহতদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের থানা রোডে এ ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী : পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল কর্মী-সমর্থকদের বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধরের ঘটনার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা বিএনপি। শুক্রবার বিকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করা হয়।
ঝালকাঠি : রাজাপুরে এক জামায়াত নেতার বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের উত্তর সাউথপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পাবনা : আটঘরিয়া উপজেলার শ্রীকান্তপুরে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন করায় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ কর্মীর বাড়িতে ও স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা এবং ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের শ্রীকান্তপুর গ্রামে নির্বাচনের রাতেই এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে হামলার শিকার আওয়ামী লীগকর্মী ও স্থানীয়রা দাবি করেন।
মন্তব্য জানতে জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা জহুরুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
চাঁদপুর : ফরিদগঞ্জে কয়েকটি স্থানে বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে ও বৃহস্পতিবার রাতে চরদুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের লড়াইচর গ্রামে এই ঘটনা ঘটায়। সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হন।
নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের পক্ষে কাজ করায় তার কর্মী-সমর্থকের ওপর হামলা ও বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বন্দরের একরামপুর, নূরবাগ ও মুছাপুর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভ অভিযোগ করেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!