রমজানের শুরুতেই রাজধানী ঢাকার দুটি আসনের জনগণের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে জামায়াতে ইসলামী।
পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রে স্থানীয় সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান। তিনি ঢাকা-৬ আসনে সংসদ নির্বাচন করে সামান্য ভোটে হেরে যান।
মহানগরী দক্ষিণের অফিস সম্পাদক কামরুল আহসান হাসানের সভাপতিত্বে ইফতার সামগ্রী বিতরণ পূর্ব আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ জুনায়েদ এর পিতা শেখ জামাল হাসান, ঢাকা মহানগরী জামায়াতের মজলিসে শুরা সদস্য মাস্টার রুহুল আমিন, মীর বাহার আমিন, নেছার উদ্দিনসহ বিভিন্ন থানা আমীর-সেক্রেটারি ও স্থানীয় বিশিষ্টজনরা।
সভায় ড. আব্দুল মান্নান বলেন, আমি কথা দিয়েছিলাম, নির্বাচিত হলেও মানুষের পাশে থাকবো না হলেও মানুষের পাশে থাকবো। জনগণ আমাকে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে জনগণের খাদেম হিসেবে মনোনীত করলেও কারচুপি করে সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে আমাকে পরাজিত দেখানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ভোট চুরি করে কিংবা প্রশাসনের চক্রান্তে ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনে যারা বিজয়ী হয় তারা কখনো জনগণের প্রতিনিধি হতে পারে না, হয় না। তারা ক্ষমতার জন্য ভোট চুরি করে, ফলাফল কারচুপি করে। তারা জনগণকে ভয় পায় বলেই প্রশাসনের ঘাড়ে চড়ে ক্ষমতার মসনদে বসে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না, জামায়াতে ইসলামী জনগণের ক্ষমতায়ণের জন্য রাজনীতি করে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
এদিকে ঢাকা-৪ আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেছেন, নির্বাচিত হওয়ার আগেই আমীরে জামায়াত ঘোষণা দিয়েছেন আমরা শাসক নয় সেবক হতে চাই। জনগণ আমীরে জামায়াতের সেই ঘোষণায় আস্থা ও বিশ্বাস রেখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিয়েছে। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশনের মাধ্যমে জনগণের ভোট কারচুপি করে ১১ দলীয় জোটকে পরাজিত করা হয়েছে। তবে এখানকার জনগণ নিজেদের ভোটের হিসাব বুঝে নিতে সজাগ ছিল। যার কারণে দিনভর নাটকীয়তা চালিয়েও ঢাকা-৪ আসনে জনগণের ভোট নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারেনি। জনগণের ভোটের হিসাব বুঝিয়ে দিতে পরিশেষে প্রশাসন বাধ্য হয়েছে।
ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি জানান, এই ইফতার সামগ্রী রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে নয়, জামায়াতে ইসলামীর দলীয় অর্থায়নে উপহার হিসেবে প্রদান করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কদমতলী পশ্চিম থানা আমীর কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- কদমতলী পূর্ব থানা আমীর আব্দুর রহিম জীবন, কদমতলী মধ্য থানা আমীর মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা নেছার উদ্দিন। সভা শেষে ২২০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!