রমজানে চকবাজারের বাহারি ইফতার
রমজানে চকবাজারের বাহারি ইফতার   ছবি: সংগৃহীত

মজানের প্রথম দিনই জমে উঠেছে দেশজুড়ে বিখ্যাত রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বাহারি ইফতারসামগ্রীর বাজার। ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারনায় মুখর হয়ে উঠেছে চকবাজার শাহি মসজিদের সামনে সার্কুলার রোডের দুই পাশ।

বৃহস্পতিবার জোহর নামাজের পর থেকেই দোকানিরা হরেকপদের ইফতার সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে বসেছেন। প্রতিবছর রমজান মাসজুড়ে চলতে থাকা এই ইফতার বাজারে পুরান ঢাকার বাসিন্দারা ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসে পছন্দের ইফতারসামগ্রী কিনতে। বেশিরভাগ আইটেমের দাম আগের মত হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেড়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

রমজানে চকবাজারের বাহারি ইফতার

বাজার ঘুরে দেখা যায়, চিকেন কাঠি ৫০ টাকা, মুরগির রোস্ট ৩২০ টাকা, চিকেন ললিপপ ৫০ টাকা, কাঠি কাবাব ৬০ টাকা, চিকেন বল ৬০ টাকা, কোয়েল পাখির রোস্ট ৮০ টাকা। খাসির লেগ ৮০০ টাকা, গরুর সুতি কাবাব কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা ও খাসির সুতি কাবাব কেজি ১ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুধ নান ৬০ টাকা, স্পেশাল বাদাম নান ৮০ টাকা এবং গারলিক নান ৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। গরুর কালা ভুনা প্রতি প্যাকেট ১৫০ টাকা এবং চিকেন তাওয়া প্যাকেট ১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় আইটেম হিসেবে একটি আস্ত খাসির কাবাবের দাম ১০ হাজার টাকা হাঁকছেন বিক্রেতারা।

রাজধানীর আজিমপুর অফিসার কলনি থেকে আসা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানি আরটিএনএন-কে জানান, ইউভার্সিটিতে পড়ার সময় থেকেই চকবাজারের ইফতারি খাওয়া শুরু করি। তারই ধারাবাহিকতা এখনও বজায় রেখেছি। দাম কিছুটা আগের মতো থাকলেও কয়েকটি আইটেমের দাম বেশি।

বিক্রেতা নওয়াব আলী আরটিএনএন-কে জানান, রমজান মাসে ইফতারসামগ্রী বিক্রয় আমাদের পারিবারিক ব্যবসা। আমার দাদার আমল থেকে শুরু হয়েছিল। তারপর আমার বাবা এখন আমি। কিছু কিছু কিনলেও অনেকেই বাহারি এইসব আইটেম দেখতে আসেন।