জামাজামায়াতে ইসলামী
জামায়াতে ইসলামী।   ছবি: সংগৃহীত

রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এখন দেশের রাজনৈতিক আবহে সবচেয়ে বেশি আলোচিত জেন-জি ভোটারদের ভূমিকা। যারা ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে গুলির সামনে, স্নাইপারের সামনে দাঁড়িয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। তাদের অধিকাংশের ভোট এবার জামায়েত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লাসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতীকে যাচ্ছে বলে অন্তত দুটি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। 
 
গোয়েন্দা সংস্থার নির্ভরযোগ্য সূত্রটি বলছে, পাঁচ আগস্টের পর থেকে ২৪-এর আন্দোলনে যেসব তরুণরা রাজপথে ছিল তারা সকল রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ডকে পর্যবেক্ষণ করেছে। বিএনপিসহ যে সকল রাজনৈতিক দলগুলো চাঁদাবাজি ,দখলে জড়িয়ে গেছে তখন থেকে জেন-জিরা বিএনপিকে রেডসিগনালে রাখে। 

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটে হ্যাঁ , নারী এবং শিশুদের প্রতি ইতিবাচক অবস্থান, ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকারে দল থেকে কাছে টেনে নিয়েছে ভোটাররা। ইতিমধ্যে ভোটারদের বড় অংশই কাকে ভোট দিবে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। গোয়েন্দা সংস্থার সেই তথ্যমতে এবার তরুণরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা এবং দলটির সমর্থিত ১১ দলের প্রার্থীকে বেছে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টি আসন পেতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক উত্থান ঘটতে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে ফেসবুকের টাইমলাইন, গ্রুপ আলোচনা, লাইভ সেশন—সব জায়গাতেই চোখে পড়ছে তরুণদের রাজনৈতিক মত প্রকাশ। তাঁরা কাকে ভোট দেবে সেটি স্পট করছেন।