গেল বছরে মালয়েশিয়া সফর করেছেন প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশী পর্যটক
মালয়েশিয়া।   ছবি: সংগৃহীত

গেল বছর মালয়েশিয়া ভ্রমণ করেছেন ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৯২ বাংলাদেশীসহ সর্বমোট ৪ কোটি ২১ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯২ জন বিদেশী পর্যটক।

যা আগের বছরের তুলনায় ৮২.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পর্যটন শিল্পে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে দেশটি।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে মালয়েশিয়ার জাতীয় পর্যটন সংস্থা ট্যুরিজম মালয়েশিয়া আয়োজিত ‘ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬’ এর নেটওয়ার্কিং ডিনার প্রোগ্রামে এ তথ্য জানায় তারা।

আগামি ৯ থেকে ১১ এপ্রিল ১৪ তমবারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা ট্রাভেল মার্ট ২০২৬ এ অংশগ্রহণ করছে ট্যুরিজম মালয়েশিয়া।

ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আন্তর্জাতিক প্রচার বিভাগের (এশিয়া ও আফ্রিকা) উপপরিচালক সোলেহউদ্দিন আহমদ।

প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছে মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিল, এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস, পাশাপাশি বিভিন্ন ট্রাভেল অপারেটর ও এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিরা।

বৈচিত্র্যময় ও অনন্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে মালয়েশিয়া তাদের পর্যটন সেবা আরও সম্প্রসারণ করছে, যাতে বিভিন্ন শ্রেণির ভ্রমণকারীদের আকৃষ্ট করা যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে মেডিকেল ট্যুরিজম, এডুকেশন ট্যুরিজম এবং ইকো-ট্যুরিজমের মতো বিশেষ খাতে জোর দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার মহাপরিচালক মো. আমিরুল রিজাল আব্দুল রহিম বলেন, ‘বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। আমরা এই অঞ্চলে আমাদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এবং ‘ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬’ প্রচার কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান, পর্যটন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত সংক্রান্ত ব্যবসায় নিয়োজিত বিশেষ ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

ঢাকা ট্রাভেল মার্টে অংশগ্রহণ মালয়েশিয়ার জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ, যার মাধ্যমে দেশটি তার বৈচিত্র্যময় পর্যটন সেবা তুলে ধরতে, দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করতে এবং বাংলাদেশের অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে পারবে।

বর্তমানে ঢাকা ও মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রতি সপ্তাহে ৪১টি সরাসরি উড়োজাহাজ চলাচল করছে, যেখানে মোট আসন সংখ্যা প্রায় ১১,৩৪০। এই পথে সেবা দিচ্ছে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স, বাটিক এয়ার, এয়ারএশিয়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।