সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে দস্যুতা নির্মূলে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। গত দেড় বছরে ধারাবাহিক ও বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত সব বাহিনীর অন্তত ৬১ জন দস্যুকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে কোস্ট গার্ডের সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ড সর্বদা সক্রিয় ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিয়মিত টহল ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে কুখ্যাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর মূল হোতাসহ মোট ৬১ জন সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন দস্যুদের ব্যবহৃত আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারের তালিকায় রয়েছে: আগ্নেয়াস্ত্র: ৮০টি (বিভিন্ন ধরনের), তাজা গুলি: ৫৯৯ রাউন্ড, ফাঁকা ও এয়ারগানের গুলি: ২,২৫৮ রাউন্ড, উদ্ধারকৃত ব্যক্তি: ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটক
দস্যুদের কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো ইতোমধ্যে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সুন্দরবন এলাকায় নির্ভরশীল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নদী ও খালপথে নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ধরনের যৌথ ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বনজ সম্পদ রক্ষা এবং পর্যটক ও জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ডের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি চলমান রয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!