ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক।
এরআগে ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত।
এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২ দশমিক ৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
অ্যান্ড্রয়েড অ্যালার্ট সিস্টেমের সূত্রে গুগল জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের ম্রাউক-ইউ শহর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে।
এদিকে, মিয়ানমারে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার রাতে এই ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড)।
জিএফজেড জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে রেকর্ড করা হয়েছিল, যার ফলে বিস্তৃত অঞ্চলে কম্পনগুলো আরো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভূতাত্ত্বিক তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মধ্য মিয়ানমারের ইয়েনাংইয়াং থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, মিয়ানমারে ভূমিকম্পের পর কলকাতা এবং পূর্ব ভারতের কিছু অংশে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা। শহরের বাসিন্দারা রাত ৯টা ৫ মিনিটে প্রায় ১০-১৫ সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হয়েছে, যার ফলে অনেকেই তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। কলকাতায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!