গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় আওয়ামী লীগ ‘ট্যাগ’ দেওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার এবিএম রশিদুল বারী।
পুলিশ জানিয়েছে, উপজেলার কালিবাড়ী হাটে সরকারি বরাদ্দের একটি দোকানের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে অভিযোগ দিতে যুব জামায়াতের নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশ কয়েকজনকে নিয়ে থানায় যান।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটিতে তালা দেওয়ার জন্য ওসির ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তবে ওসি সরোয়ারে আলম খান তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়।
এ সময় অন্য পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। এতে ওসিসহ সাতজন আহত হন। আহতদের মধ্যে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রুহুল আমিন, রাসেল ও ছানোয়ার রয়েছেন।
এ ঘটনায় উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া তৌহিদুল ইসলাম কানন নামে এক যুব জামায়াত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে জামায়াত নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, পুলিশই প্রথমে তাদের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।
যুব জামায়াত নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশ বলেন, “পুলিশ আমাদের মারধর করে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ দিচ্ছে।”
অন্যদিকে জামায়াত নেতা মাহফুজ দাবি করেন, “আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে এবং আমাদের আওয়ামী লীগের ‘ট্যাগ’ দেওয়া হচ্ছে।”
পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!