গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর কালিবাড়ী হাটে সরকারি বরাদ্দকৃত একটি দোকানের মালিকানা নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলে জামায়াত নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।
এ ঘটনার জেরে শুক্রবার ভোরে ডিবি পুলিশের পরিচয়ে একদল ব্যক্তি পলাশবাড়ী পৌরসভার জামায়াতের সাবেক সভাপতি ও পেশাজীবী জামায়াতের বর্তমান সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. মিজানুর রহমান মিজান এবং তার বাবাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে সকাল ১০টার দিকে তার বাবাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মিজান এখনও ডিবি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সংঘর্ষের সময় মিজান নিজ বাসায় ছিলেন। পরে তিনি বিষয়টি জানার জন্য গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. লেবু মওলনার সঙ্গে থানায় যান।
আটক মিজানের ছোট ভাই মাহফুজ অভিযোগ করেন, “দুই দিন আগে পলাশবাড়ী থানায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি হয়, কিন্তু ওই সময় আমার ভাই বাসায় ছিলেন। তবুও আজ সকালে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি কোনোভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।”
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে আনুমানিক ১০টায় পলাশবাড়ী থানার ভেতরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জামায়াত নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান, এক নারী কনস্টেবলসহ অন্তত ৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।
পরদিন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে পলাশবাড়ী থানার এসআই রেজাউল করিম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০–১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ার আলম খান জানান, থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা এবং ৯ জন সদস্যকে আহত করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!