সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয় ১১ জনকে বাদ দিয়ে মেধা তালিকায় ১২ নম্বরে থাকা মাহিরা শামীমকে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে ১২ তম নন, অনার্স এবং মাস্টার্স'র রেজাল্ট অনুযায়ী মাহিরা ছিলেন তার ব্যাচে তৃতীয় অবস্থানে।
নিজ ব্যাচে ৩য় স্থানে থাকার পরও তাকে ১২ তম বলে প্রচার করার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনকে বিতর্কিত করতেই একটি পক্ষ সুপরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যাচার করছেন। নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে নিয়োগ পাওয়ার পরও তার বাবাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
মাহিরা শামীম হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের মেয়ে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগ থেকে অনার্স মাস্টার্স পাস করে সম্প্রতি একই বিভাগে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
মাহিরা শামীমকে নিয়োগ দেয়ার পর তার ব্যাচের অনার্সের ফলাফলের একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়। ওই ফটোকার্ডে দেখা যায়, তার ব্যাচে অনার্সে চারজন সিজিপিএ ৩.৮০ পেয়েছেন। অর্থাৎ চারজনের পজিশন একই কিন্তু সিরিয়াল করে তাকে তালিকায় তিনজনের পরে দেখানো হয়েছে। ওই হিসেব করেই বলা হচ্ছে মাহিরা মেধা তালিকায় ১২তম। কিন্তু প্রকৃত তথ্য হচ্ছে চারজনের একই ফলাফল হওয়ায় চারজনের অবস্থানই অষ্টম।
অন্যদিকে মাস্টার্সের রেজাল্ট হিসেব করলে মাহিরা রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। সিজিপিএ ৩.৭৮ পেয়ে মাস্টার্সে দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করেন মাহিরা। কিন্তু একই ফলাফল করে দুজন মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করায় মাহিরার অবস্থান চলে যায় ৩য় স্থানে। মাস্টার্সে তারা তিনজনই পেয়েছিলেন ৩.৭৫ বেশি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ফিনান্স ডিপার্টমেন্ট সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ফ্যাকাল্টির সকল বিভাগে জন্য শিক্ষক হিসেবে আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা হল অনার্স এবং মাস্টার্সে দুটিতেই ন্যূনতম ৩.৭৫ থাকতে হবে। তার মানে ফিন্যান্সের এই নিয়োগে ২০১৭-১৮ সেশন থেকে মাহিরাসহ মাত্র ৩ জন আবেদন করার যোগ্যতা রাখে। এই হিসেবে ১১ জনকে বাদ দিয়ে তাকে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি ভিত্তিহীন। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, মেধা তালিকায় ৩য় অবস্থানে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের লিখিত, ভাইভা, পাবলিকেশন এবং প্রেজেন্টেশন পরীক্ষায় অন্য প্রতিযোগীদের তুলনায় এগিয়ে থেকে তিনি শিক্ষক হয়েছেন।
এমকে/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!