সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
চার সপ্তাহের জন্য শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
এর আগে নির্বাচনের এক দিন আগেই নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন বিএনপিপন্থী ৮ শিক্ষক। প্রশাসনের নানা অনিয়মের অভিযোগে অপারগতা প্রকাশ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় নতুন সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের নিচতলায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছি না। আমরা আহ্বান জানাব, অন্যরাও যাতে দায়িত্ব পালন না করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের আচরণে বিব্রতবোধ করছি। ভাইস চ্যান্সেলরকেও জানিয়েছি এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন করবে কি না। নির্বাচন পরিচালনায় হয়তো ২০০ শিক্ষক লাগবে। এখান থেকে আমাদের মতের সাথে একাত্মতা যারা পোষণ করে তারাও সরে আসবেন।’
অন্যদিকে নির্বাচন বন্ধের সিদ্ধান্ত হলে দেশব্যাপী কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচি দেবে বলে জানিয়েছে ছাত্রশিবির। দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন ছাত্রসংগঠনটির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
তিনি বলেন, আমাদের দাবি স্পষ্ট। শাকসু নির্বাচন নির্ধারিত তারিখেই অর্থাৎ অবশ্যই অবশ্যই আগামীকালই অনুষ্ঠিত হতে হবে। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপ হুমকি কিংবা পেশি শক্তির কাছে নতি স্বীকার করে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিঘ্ন ঘটানো হলে তা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি শাকসু নির্বাচন বন্ধের সিদ্ধান্ত হলে ছাত্রশিবির কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। দেশব্যাপী আমরা এই কর্মসূচি লাগাতার কর্মসূচি অব্যাহত রাখব।
তিনি আরও বলেন, শাকসু নির্বাচন ২০ জানুয়ারি। বিশ্ববিদ্যালয়টির ৯ হাজার শিক্ষার্থীর প্রাণের দাবি শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিটি প্যানেল ও প্রার্থীরা যখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক নির্বাচনী আমেজ কাজ করছে এবং প্রশাসন যখন নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে, ঠিক তখনই একটি মহল পেশিশক্তির মাধ্যমে এ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পাঁয়তারা করছে।
এর আগে রোববার (১৮ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!