ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবারসকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা “জাস্টিস জাস্টিস উই ওয়ান্ট জাস্টিস”, “আমার ক্যাম্পাসে শিক্ষক মরে, প্রশাসন কী করে”, “আমার ম্যাম খুন কেন, প্রশাসন জবাব চাই”, “হত্যাকারীর বিচার করতে হবে”, “ফাঁসি চাই, খুনিদের ফাঁসি চাই”, “লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে”সহ নানা স্লোগান দেন।
সমাবেশে সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানসহ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এসময় আন্দোলনকারীরা ৯ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-
হত্যাকারীর দ্রুত ফাঁসি নিশ্চিত করা, হত্যার নেপথ্যে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা,
ক্যাম্পাস, হল ও বিভাগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষণ করা,
স্মার্ট আইডি ছাড়া কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং ভ্যানচালক ও দোকানদারদেরও আইডির আওতায় আনা।
কর্মচারীদের জন্য আলাদা পোশাক ও নামফলক চালু করা,
দৈনিকভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদান,
বিভাগীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছ করা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের দাবিও জানান তারা।
সমাবেশে সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, “প্রথমত আমি একজন মানুষ, এরপর শিক্ষক। আমারও পরিবার আছে, সন্তান আছে। গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত নৃশংস ও মর্মান্তিক। এমন একটি ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সবাই মিলে বিভাগের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছিলাম। বিভাগের চেয়ারম্যান অত্যন্ত সজ্জন ও নরম স্বভাবের মানুষ ছিলেন। তার নেতৃত্বে বিভাগ ভালোভাবে চলছিল। কিন্তু যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
সমাবেশে আন্দোলনকারীরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বুধবার (৪ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে হত্যাকান্ডের শিকার হন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক ড. আসমা সাদিয়া রুনা।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!