‘বিধি উপেক্ষা করে দেড় শতাধিক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও মানহানিকর দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন। রোববার (১৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৯ মার্চ বাংলা ট্রিবিউন অনলাইন পোর্টালে ‘কর্মচারীর হাতে শিক্ষিকা খুন, বিধি উপেক্ষা করে দেড় শতাধিক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ দায়িত্ব গ্রহণের দেড় বছরের মধ্যে বিধি উপেক্ষা করে দেড় শতাধিক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছেন এমন দাবি সম্পূর্ণ অসত্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের কোনো চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়নি এবং কাউকে এভাবে নিয়োগও প্রদান করা হয়নি বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে বিভিন্ন একাডেমিক বিভাগ ও দপ্তরে স্থায়ী কর্মচারীর সংকট দেখা দিয়েছে, যা শিক্ষা সেবা প্রদানে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তরের প্রধানরা নিজেদের ব্যবস্থাপনায় নামমাত্র হাজিরাভিত্তিক কিছু লোকের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রশাসনের সময়ে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত হাজিরাভিত্তিক পারিশ্রমিকে কিছু ব্যক্তিকে দিয়ে দাপ্তরিক কাজ করানো হয়ে আসছে। সরকারি নির্ধারিত তহবিল থেকে তাদের মজুরি প্রদান করা হয় এবং কোনো বোনাস দেয়া হয় না। ফলে এটিকে কোনোভাবেই নিয়োগ হিসেবে গণ্য করা যায় না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের ন্যূনতম সেবা সচল রাখতে বিভাগীয় প্রধানদের সুপারিশের ভিত্তিতে কিছু ব্যক্তিকে স্বল্প পারিশ্রমিকে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যাতে অফিস কার্যক্রম চালু থাকে। ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও দপ্তরপ্রধানদের চাহিদা অনুযায়ী দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে সীমিত সংখ্যক ব্যক্তিকে দিয়ে কাজ করানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর কাছে বাজেট চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে যে অসম্মানজনক মন্তব্যসহ সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে এ ধরনের ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!