জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত খ্যাতিমান অভিনেতা শামস সুমন, যিনি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার অবদান দিয়ে পরিচিত, আজ চিরনিদ্রায় শায়িত হচ্ছেন তার প্রিয় শহর রাজশাহীতে। অভিনয়ের শুরু থেকেই রাজশাহী ছিল তার শিল্পযাত্রার শীর্ষস্থান। স্কুলজীবনে রাজশাহী বেতারে অভিনয়ের মাধ্যমে তার সাংস্কৃতিক পথচলা শুরু হয়, পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর মাধ্যমে তিনি আরও বিস্তৃত পরিসরে পরিচিত হন।
ঢাকা থেকে শামস সুমনের নিথর দেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স রাজশাহীর পথে রওনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ জোহর রাজশাহীর ঝাউতলা এলাকার মিঠুর মোড়ে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে নগরের হেতেম খাঁ গোরস্তানে দাফন করা হবে।
শামস সুমনের ভাই এবং সাংবাদিক রাশেদ রিপন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ বর্তমানে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং যুক্তরাজ্যে থাকা পরিবারের সদস্যরা দেশে ফিরে রাজশাহীর পথে রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শামস সুমন। তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। মৃত্যুর পর প্রথম জানাজা বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সহকর্মী, শিল্পী এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বহু ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থেকে তাকে শেষ বিদায় জানান।
শামস সুমন অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে ছিল ‘অহংকার’, ‘অনুরাগ’, ‘যদি ভালোবাসো’, ‘এই তো আমাদের বাড়ি’, ‘রাতের অতিথি’, ‘অতন্দ্র প্রহর’ ও ‘খোঁজ’। চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন ‘জয়যাত্রা’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘আয়না কাহিনি’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘চোখের দেখা’, ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’সহ বেশ কিছু সফল ছবিতে।
তিনি ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
তার প্রয়াণে বাংলাদেশ শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে তার অভিনীত চরিত্রগুলো এবং সাংস্কৃতিক অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!