ফেব্রুয়ারিতেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। মাসজুড়ে মোট ৩০২ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার দেশে এসেছে, যা দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) ৩৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি। রোববার (১ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ফেব্রুয়ারির ২৮ দিনে প্রবাসীরা মোট ৩০২ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। সে হিসেবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১০ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। তুলনামূলক হিসাবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতেও ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। সে মাসে মোট ৩১৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়।
তারও আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, যা একক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স হিসেবে রেকর্ড হয়। টানা কয়েক মাস ধরে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের (জুলাই ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রথম আট মাসে দেশে মোট প্রবাসী আয় এসেছে ২২ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ১৮ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে অর্থ প্রেরণে উৎসাহ, ব্যাংকিং সুবিধা সম্প্রসারণ এবং প্রবাসী আয়ের ওপর প্রণোদনা অব্যাহত থাকায় রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। এই প্রবৃদ্ধি আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!